প্রতিমার কাঠামো তুলে নিয়ে নদীর দূষন রোধ করছে নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারাই

প্রতিমার কাঠামো তুলে নিয়ে নদীর দূষন রোধ করছে নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারাই
দীর্ঘ লকডাউনের কারনে তারা চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছেন।এই এলাকার মানুষ দিন আনে দিন খাওয়া পরিবারের সংখ্যা বেশী।

দীর্ঘ লকডাউনের কারনে তারা চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছেন।এই এলাকার মানুষ দিন আনে দিন খাওয়া পরিবারের সংখ্যা বেশী।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: সামান্য কিছু উপার্জনের আশায় নদী দূষন রোধ করছেন রায়গঞ্জের দুটি নিরঞ্জন ঘাট বন্দর এবং খরমুজাঘাটের কয়েকজন যুবক।প্রতিবছরই তারা এভাবেই জলে থেকে কাঠামো সংগ্রহ করেন।

পূজো শেষ। শেষ দশমীর প্রতিম বিসর্জনের পালাও। রায়গঞ্জ পৌরসভার পক্ষ থেকে ঘাট গুলিতে প্রতিমা নিরঞ্জনের ঘাট সহায়ক রাখা হয়েছিল।যাদের কাজ বিভিন্ন ক্লাব এবং বারোয়ারি পূজার প্রতিমা এলে তারা প্রতিমা নিয়ে নদীতে নিরঞ্জন করে দেবেন।আর নদীতে যে প্রচুর পরিমানে প্রতিমা নিরঞ্জন হচ্ছে সে গুলো কে সরাবে। এই কাঠামো খড় নদীতে থাকলে নদীর জল দূষিত হয়ে যাবে। না নদী দূষনের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য নদীর জলে ছোটাছুটি করছে কয়েকজন যুবক।যে আগে এই কাঠামো ধরবে তারই হবে পুরোটা।যতক্ষন প্রতিমা নিরঞ্জন হবে ততক্ষন এরা নদীর জলেই থাকবে।

প্রতিমা গুলোকে জলে রেখে দেবে।সকাল হবে সেই প্রতিমার কাঠামো গুলো জল থেকে তুলে আনবে। কারন দেবী বিসর্জনের পর কাঠামো গুলি বিক্রি করে হাতে  আসে বাড়তি কিছু পয়সা।এছাড়াও নদী সংলগ্ন এলাকায় বাড়ি হওয়ায় বর্ষার সময় নদীর জলস্ফিতিতে বাড়িঘর ভেঙ্গে যায়। এই কাঠামোর কাঠ দিয়ে বাড়ি সারাই করে নেন।অবশিষ্ট কাঠামো বিক্রি করে কিছু অর্থ উপার্জন হয়।তাই বছরের এই দিনটির দিকে তাকিয়ে থাকেন পাপাই, সুমনের মত বেশ কয়েকজন। কঠামো সংগ্রাহক সুমন রায় জানান, দীর্ঘ লকডাউনের কারনে তারা চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়েছেন।এই এলাকার মানুষ দিন আনে দিন খাওয়া পরিবারের সংখ্যা বেশী।নদীর জলস্ফীতিতে বাড়িঘরে জল ঢুকে ব্যপক ক্ষতি হলেও অর্থের অভাবে সেগুলো ঠিক করা সম্ভব হয় নি। কাঠামোর এই কাঠ দিয়ে ঘরে কিছু অংশ মেরামত করা সম্ভব হবে।প্রতিবছর এই দিনটির দিকে তারা তাকিয়ে থাকেন।


Uttam Paul

Published by:Debalina Datta
First published:

লেটেস্ট খবর