কোচবিহারে দিনভর রেল অবরোধে জল-খাবারের কালোবাজারি
Last Updated:
দিনভরের ট্রেন অবরোধে নাকাল যাত্রীরা। পর্যাপ্ত জল-খাবার ছাড়াই বিভিন্ন স্টেশনে আটকে থাকেন অসংখ্য মানুষ। সেই সুযোগেই শুরু হয় জলখাবারের কালোবাজারি। এক বোতল জল বিকোয় ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। ওমলেটের দাম ওঠে ২০ টাকায়। বাধ্য হয়েই চড়া দামে জলখাবার কিনতে হয় যাত্রীদের। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকায় অসুস্থও হয়ে পড়েন অনেকে। অবরোধ চলাকালীন রেলের তরফে কোনও সহযোগিতা মেলেনি বলেও অধিকাংশ যাত্রীরা অভিযোগ করেন।
#কোচবিহার: দিনভরের ট্রেন অবরোধে নাকাল যাত্রীরা। পর্যাপ্ত জল-খাবার ছাড়াই বিভিন্ন স্টেশনে আটকে থাকেন অসংখ্য মানুষ। সেই সুযোগেই শুরু হয় জলখাবারের কালোবাজারি। এক বোতল জল বিকোয় ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। ওমলেটের দাম ওঠে ২০ টাকায়। বাধ্য হয়েই চড়া দামে জলখাবার কিনতে হয় যাত্রীদের। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকায় অসুস্থও হয়ে পড়েন অনেকে। অবরোধ চলাকালীন রেলের তরফে কোনও সহযোগিতা মেলেনি বলেও অধিকাংশ যাত্রীরা অভিযোগ করেন।
পৃথক রাজ্যের দাবিতে গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের শনিবার শুরু করলেন অনির্দিষ্টকালের জন্য রোকো কর্মসূচি। যার জেরে চূড়ান্ত নাকাল হন রেলযাত্রীরা। অবরোধের জেরে উত্তরবঙ্গ ও অসমের বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে রাজধানী সহ একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন। ফলে পর্যাপ্ত জল ও খাবার ছাড়াই গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই মাঝপথে আটকে পড়েন অসংখ্য যাত্রী ৷ সেই সুযোগেই জলখাবারের কালোবাজারি শুরু করে একদল হকার। এক বোতল পানীয় জলের জন্য প্রায় দ্বিগুণ দাম চান হকাররা। চড়া দামে বিক্রি হয় খাবারও। বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত টাকা খরচ করে জলখাবার কিনতে হয় যাত্রীদের। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকায় অনেক প্রবীণ যাত্রীই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
advertisement
অবরোধ চলাকালীন রেলের তরফে কোনও সহযোগিতা পাওয়া যায়নি বলে অনেক যাত্রী অভিযোগ করলেও, অসহযোগিতার অভিযোগ মানতে চায়নি রেল। আটকে থাকা যাত্রীদের নিরামিষ খাবারের প্যাকেট সরবরাহ করা হয়েছে বলে দাবি করেন রেল কর্তৃপক্ষ। তা সত্বেও যাত্রীদের ভোগান্তি যে কমেনি, তা মেনে নিয়েছে রেলই।
advertisement
Location :
First Published :
Feb 20, 2016 7:54 PM IST











