corona virus btn
corona virus btn
Loading

গায়ে নেই পোশাক, কনকনে ঠাণ্ডায় চাষের জমি থেকে উদ্ধার আহত সদ্যজাত

গায়ে নেই পোশাক, কনকনে ঠাণ্ডায় চাষের জমি থেকে উদ্ধার আহত সদ্যজাত

বৃহস্পতিবার ভোর রাতে শিশুকে মাঠে ফেলে গেছে তার পরিবার। শিশুকে প্রথম দেখতে পান প্রাতর্ভ্রমণকারীরা।

  • Share this:

#মালদহ: মালদহে মাঠে উদ্ধার সদ্য়জাত শিশুকন্যা। মালদহের হবিবপুর থানার বুলবুলচণ্ডী পঞ্চায়েতের সাহাপাড়া এলাকার ঘটনা। কান্নার আওয়াজ শুনে তাকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। উদ্ধারকারীদের দাবি, উদ্ধারের সময় শিশুর নাকমুখ থেকে রক্ত বের হতে দেখা যায়। শিশুর পরিবার-পরিজনের খোঁজ মেলেনি। উদ্ধারের পর শিশুকে স্থানীয় বুলবুলচণ্ডী আরএন রায় গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। জানা গিয়েছে, বুলবুলচণ্ডী-নিমবাড়ি রাজ্য সড়ক থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে ধান চাষের মাঠে পড়েছিল এই শিশু। উদ্ধারের সময় শিশুর গায়ে কোনো পোশাকও ছিল না। স্থানীয় জানান, ঠাণ্ডায় রীতিমতো কাঁপছিল শিশুকন্যা। সঠিক সময়ে উদ্ধার না হলে শিশুর প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কাও ছিল। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশের অনুমান, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে শিশুকে মাঠে ফেলে গেছে তার পরিবার। শিশুকে প্রথম দেখতে পান প্রাতর্ভ্রমণকারীরা। বুলবুলচণ্ডী পঞ্চায়েতের সাহাপাড়ার বাসিন্দা উদয় সরকার প্রাতর্ভ্রমণ করতে বেরিয়েছিলেন। তিনিই প্রথম শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। শীতের সকালে খালি গায়ে শিশুকে পড়ে থাকতে দেখতে পান তিনিই। শিশুর নাকমুখ থেকেও রক্ত বেরোতে দেখেন তিনি। শিশুকে উদ্ধার পরের বুলবুলচণ্ডী পঞ্চায়েতের সদস্য সুব্রত সাহাকে বিষয়টি জানান তিনি। শিশুকন্যা উদ্ধারের খবরে চাঞ্চল্য ছড়ায় সাহাপাড়ায়। থানায় খবর দেন এলাকাবাসী। নাক থেকে রক্ত বের হওয়ার কারণে চিকিৎসার জন্য তাকে বুলবুলচণ্ডী আরএন রায় গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যান এলাকাবাসী। সেখানে তাকে দুধ খাওয়ানো হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই ভরতি রয়েছে শিশু।

কন্য়া সন্তান বলেই কী মাঠে শিশুকে ছেড়ে গিয়েছে তার পরিবার? বৃহস্পতিবারের ঘটনায় সেই প্রশ্নও উঠছে। শিশুর পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীদের দাবি, দূর থেকে কারও পক্ষে ওই এলাকায় গিয়ে শিশুকে ফেলে আসা সম্ভব নয়.স্থানীয় কোনও শিশু নিখোঁজ রয়েছে কীনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সেবক দেবশর্মা

Published by: file 18 user
First published: February 13, 2020, 1:24 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर