South Dinajpur News: মায়ের মুখ দর্শন করতে পারতেন না ভক্তরা, অবশেষে..., বোল্লা মা কালী মন্দিরে যা হল
- Reported by:SUSMITA GOSWAMI
- Published by:Riya Das
Last Updated:
South Dinajpur News: নয়া ইতিহাস গড়ে উঠল দক্ষিণ দিনাজপুরের বোল্লা মা কালী মন্দিরে। এতদিন বাৎসরিক পুজোর সময়ই ভক্তরা মায়ের মুখ দর্শন করতে পারতেন। সারা বছর পুজো হত শিলামূর্তিতেই।
দক্ষিণ দিনাজপুর: নয়া ইতিহাস গড়ে উঠল দক্ষিণ দিনাজপুরের বোল্লা মা কালী মন্দিরে। এতদিন রাস পূর্ণিমার পরের শুক্রবার মায়ের বাৎসরিক পুজোর সময় ছাড়া ভক্তরা মায়ের মুখ দর্শন করতে পারতেন না। সারা বছর পুজো হত শিলামূর্তিতেই। এবার ভক্তদের দীর্ঘদিনের দাবিতে সাড়া দিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শতাব্দী প্রাচীন দেবীর স্থায়ীভাবে রুপোর মুখমণ্ডল প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। হোম যজ্ঞের মাধ্যমে নতুন মুখমণ্ডল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে বাৎসরিক পুজোর সময় মূর্তি গড়ার জন্য রুপোর মুখমন্ডল সরিয়ে নেওয়া হবে। এরপর ফের বছরের বাকি সময় ভক্তরা মায়ের অবয়ব দর্শন করতে পারবেন।
এ বিষয়ে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত অরুপ চক্রবর্তী বললেন, “ভক্তরা চাইছিলেন সারাবছর মায়ের দর্শন। আজ সেই চাওয়া আজ পরিপূর্ণ হল। মা এখন সর্বক্ষণ বিরাজ করবেন রুপোর মুখমণ্ডলে।”
advertisement
এদিন সকাল থেকে বালুরঘাটের বোল্লা গ্রামে উপচে পড়ল ভক্তের ঢল। কেউ ফুল হাতে, কেউ দ্বীপ হাতে, কেউ চোখের জল মুছতে মুছতে এসে দাঁড়িয়েছে মায়ের সামনে। ঢাকের তালে তালে নেচে উঠেছে শিশু থেকে বৃদ্ধ। বোল্লার আকাশে বাতাসে যেন ধ্বনিত হয়েছে একটাই শব্দ “জয় মা বোল্লা”। এদিন মায়ের মুখাবয়বের সামনে প্রণামে নতজানু হলেন হাজার হাজার ভক্ত। ঢাকের বাদ্যি, শঙ্খের ধ্বনি আর উলুধ্বনির মাঝখানে উৎসবের আবহ যেন ভরে উঠেছিল মন্দির চত্বর।
advertisement
বাৎসরিক নিয়ম অনুযায়ী পুজোর তিনদিন পর দেবীর মূর্তি নিরঞ্জন হয়। সেক্ষেত্রে সারাবছর মায়ের দর্শন সম্ভব হত না। সেই আক্ষেপেই জন্ম নিল রুপোর মুখাবয়ব। যা আজ থেকে ভক্তির স্থায়ী প্রদীপ হয়ে রইল বোল্লার বুকে। পুজো কমিটির দাবি, এদিন ৫৬ রকমের মিষ্টান্ন নিবেদন করা হয়েছে বোল্লা মায়ের ভোগে। বিশেষ যজ্ঞের আয়োজনও হয়েছে মন্দির প্রাঙ্গণে। লক্ষ লক্ষ ভক্তের ভরসা আর মায়ের আশীর্বাদেই আজকের দিনটি সম্ভব হয়েছে।
advertisement
সুস্মিতা গোস্বামী
Location :
Kolkata,West Bengal
First Published :
Apr 28, 2025 11:24 PM IST







