মালদহের চাঁচলে নতুন কোভিড হাসপাতাল, করোনা চিকিৎসায় পরিকাঠামো বৃদ্ধি

মহাকুমার যে কোনও এলাকার বাসিন্দার করোনা উপসর্গ ধরা পড়লে এই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন

মহাকুমার যে কোনও এলাকার বাসিন্দার করোনা উপসর্গ ধরা পড়লে এই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন

  • Share this:

#মালদহ: করোনা মোকাবিলায় এবার মালদহের চাঁচল মহকুমায় চালু হল সরকারি কোভিড হাসপাতাল। এখন থেকে মহাকুমার যে কোনও এলাকার বাসিন্দার করোনা উপসর্গ ধরা পড়লে এই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন। চাঁচলের পুরোনো হাসপাতালকেই প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে করোনা হাসপাতাল হিসেবে চালু করা হল। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদার জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শৈবাল বন্দোপাধ্যায়, চাঁচলের মহকুমা শাসক সঞ্জয় পাল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর এবং মালতিপুর বিধানসভার তিন তৃণমূল বিধায়ক নিহার রঞ্জন ঘোষ,তাজমুল হোসেন ও আব্দুর রহিম বক্সী।

সিএমওএইচ শৈবাল বন্দোপাধ্যায় জানান, নতুন এই করোনা হাসপাতালে আপাতত ৬৪ টি শয‍্যা সংরক্ষিত রয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী তা আরোও বাড়ানো হবে। আজ, মঙ্গলবার থেকে করোনা রোগী ভর্তি হতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কারও শ্বাসকষ্ট বা করোনা সংক্রান্ত কোনো উপসর্গ ধরা দিলে বাড়িতে না থেকে চিকিৎসার জন‍্য এই করো না হাসপাতালে আসার বার্তা দিয়েছেন সিএমওএইচ। এতদিন চাঁচোল মহাকুমার বিভিন্ন এলাকার করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য দূরবর্তী মালদা মেডিকেল কলেজে যেতে হত। এখন থেকে চাঁচোল মহাকুমা শহরেই চিকিৎসার সুযোগ মিলবে।এদিকে, গত কয়েক দিনের তুলনায় মালদহে করোনার সংক্রমণ মঙ্গলবার কিছুটা কমেছে।

জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, গত ২৪ ঘন্টায় মালদহের নতুন করে করোনা সংক্রামিত হয়েছেন ১৩৭ জন। কিছুদিন আগে মালদহে দৈনিক সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল চারশোরও বেশি।করোনা ঠেকাতে কড়াকড়ি শুরু হতেই কিছুটা হলেও সংক্রমণ কমেছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চাচোল এর পাশাপাশি খুব দ্রুত জেলার আরো তিনটি জায়গায় অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। কালিয়াচকের সুজাপুর, ইংরেজবাজারের মিল্কি, হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডীতে এই কোভিড হাসপাতাল গুলি করা হবে। এই হাসপাতালগুলিতে ৫০টি করে শয্যার ব্যবস্থা রাখা হবে। এই হাসপাতালগুলি চালু করা গেলে, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে করোনা আক্রান্তরা নিকটবর্তী এলাকায় চিকিৎসার সুযোগ লাভ করবেন। করোনা আক্রান্তদের হয়রানি ঠেকানো যাবে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: