বিয়ের চার মাসের মধ্যেই গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, পণের জন্যই খুনের অভিযোগ...

মৃতার আত্মীয়ের অভিযোগ, বিয়ের এক মাসের মধ্যেই জামাই প্রমথ সিংহ পণের দাবিতে মেয়ের উপর শারীরিক এবং মানসিক নিযাতন করতেন।

মৃতার আত্মীয়ের অভিযোগ, বিয়ের এক মাসের মধ্যেই জামাই প্রমথ সিংহ পণের দাবিতে মেয়ের উপর শারীরিক এবং মানসিক নিযাতন করতেন।

  • Share this:

#করনদিঘি: এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে করনদিঘি থানার পুটিমারি গ্রামে।করনদিঘি থানায় মৃতার স্বামীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ওই মহিলার পরিবারের তরফে ।পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে। পাশাপাশি ওই গৃহবধূর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

করণদিঘি ব্লক পারগাও গ্ৰাম মেয়ে বিজলি সিংহ সাথে ৪ মাস আগেই বিয়ে হয়েছিল ওই ব্লকের পুটিমারী গ্ৰামের বাসিন্দা প্রমথ সিংহের। মৃতার আত্মীয়ের অভিযোগ, বিয়ের এক মাসের মধ্যেই জামাই প্রমথ সিংহ পণের দাবিতে মেয়ের উপর শারীরিক এবং মানসিক  নিযাতন করতেন। নির্যাতন সহ্য করে চারমাস শ্বশুড়বাড়িতেই ছিল মেয়ে বিজলি সিংহ।আজ সকালে বিজলির স্বামী প্রমথ টেলিফোনে মেয়ের মৃত্যুর খবর দেয়।

খবর পেয়ে বিজলির আত্মীয়রা শ্বশুড়বাড়িতে এসে দেখেন সে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে।মৃতার পরিবারের অভিযোগ, বিজলিকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। জামাই প্রমথের বিরুদ্ধে করনদিঘি থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন মৃতার মা শোভারানী সিংহ।পুলিশ সেই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রমথকে আটক করেছে।ঘটনার পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে।

Published by:Arka Deb
First published: