Habaskhana Ghat History: মালদহের এই নদী ঘাটে ডুব দিলেই...! জ্যৈষ্ঠ সংক্রান্তিতে কাতারে কাতারে ছুটে আসেন পুণ্যার্থীরা
- Reported by:Jiam Momin
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
Habaskhana Ghat History: প্রতিবছরই জ্যৈষ্ঠ সংক্রান্তির পুণ্য তিথিতে মালদহের রামকেলি মেলার সময় হাজারও ভক্তরা ভাগীরথী নদীর এই ঘাটে ডুব দিতে আসেন
মালদহ: প্রায় সাড়ে ৫০০ বছর আগে সুলতান হুসেন শাহের আমল থেকেই এই ঘাট পরিচিত হাবাসখানা ঘাট নামে। তবে কেন হাবাসখানা নামে পরিচিত এই ঘাট আজও অজানা অনেকেরই কাছে। কথিত আছে, সেই সময় এই ঘাট হয়ে হুসেন শাহের কারাগারে বন্দি সনাতন গোস্বামী ভাগীরথী নদীতে ডুব দেওয়ার পর মুক্তি লাভ করে বৃন্দাবনে গিয়েছিলেন।
এরপর থেকে মনে করা হয় সেই এলাকায় কারাগার থাকায় সেই ঘাটকে হাবাসখানা ঘাট বলা হয়। এরপর এই ঘাট সংলগ্ন এলাকায় তৈরি করা হয় মন্দির। সেই মন্দিরের নাম দেওয়া হয় হাবাসখানা ঘাট। বর্তমানে প্রতিবছরই জ্যৈষ্ঠ সংক্রান্তির পুণ্য তিথিতে মালদহের রামকেলি মেলার সময় হাজারও ভক্তরা পুণ্য লাভের আশায় ভাগীরথী নদীর এই হাবাসখানা ঘাটে ডুব দিতে আসেন। শুধু জৈষ্ঠ সংক্রান্তি নয় সারা বছরই ভক্ত এবং পর্যটকদের ভিড় জমে এখানে।
advertisement
advertisement
মালদহ জেলার ইতিহাস গবেষক এম আতাউল্লাহের মতে এই হাবাসখানার মানে সম্পর্কে কারো ধারনা পরিষ্কার নয়। বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে গবেষণার মাধ্যমে তুলে ধরেছেন এর নামের অর্থ। কেউ বলছেন হাবাস খান কোন ব্যক্তির নাম থেকে এই হাবাসখানা ঘাটের নাম। আবার কেউ বলেন এই নদী ঘাট এলাকায় জেলখানা বা বন্দিশালা ছিল যা বর্তমানে হাবাসখানা নামে পরিচিত। তবে এর কোন রকম লিখিত রূপে তথ্য বর্ণিত নয় তাই অনেকে অস্পষ্ট আজও।
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কথিত আছে সুলতান হুসেন শাহের সময়কালে এই গৌড়ে এসেছিলেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু। সেই সময় গৌড়ের রামকেলির গা ঘেঁসে বয়ে গিয়েছিল ভাগীরথী তথা গঙ্গা নদী। নদীর জলের সুবিধার জন্যই সেখানে সুলতান হুসেন শাহের কারাগার বা জেলখানা করা হয়েছিল। যাকে বর্তমানে হাবাসখানা নাম হিসেবে জানা হয়। তবে এর কোন ধ্বংসাবশেষ অংশ সেখানে লক্ষ্য করা যায় না। যদিও বর্তমানে নদী তীরবর্তী ঘাট এবং ঘাট সংলগ্ন মন্দির কে হাবাসখানা ঘাট হিসেবে জানা হয়।
advertisement
জিএম মোমিন
Location :
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
First Published :
Jul 08, 2025 2:09 PM IST









