যেখানে বন্যা, সেখানেই আয় বেড়েছে কাঠমিস্ত্রীদের! কী এমন কাজ করছেন তাঁরা?
- Reported by:Jiam Momin
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
নিজেরা তৈরি করছেন টিনের ডিঙি নৌকা। টিন কিনে এনে ১৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা দিয়ে তৈরি করাতে হচ্ছে নৌকা।
মালদহ, জিএম মোমিন: একদিকে যেখানে বন্যায় বিপর্যস্ত জেলার বানভাসী মানুষজন। অন্যদিকে সেখানে টিনের নৌকা, ডিঙি তৈরি করে আয় বেড়েছে কাঠমিস্ত্রিদের। মালদহে গঙ্গা, মহানন্দা, ফুলহার নদীর জলস্তর বেড়েছে। বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে। বন্যার ফলে জলে থৈ থৈ অবস্থা গ্রামের পর গ্রামে। কোথাও হাঁটু সমান জল, তো কোথাও আবার গলা পর্যন্ত জল। বাঁধ ভেঙে গ্রামের সঙ্গে মিশেছে নদী। স্তব্ধ হয়েছে পায়ে হেঁটে যাতায়াত।
ত্রাণ সামগ্রী আনতে কিংবা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য বাজারে যাওয়ার একমাত্র ভরসা নৌকা। তবে নৌকায় নিত্য যাতায়াতের ক্ষেত্রে আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় নিজেরাই টিনের নৌকা তৈরি করিয়ে যাতায়াত করছেন বন্যা কবলিত গ্রামবাসী। এমন পরিস্থিতিতে টিনের ডিঙি নৌকা তৈরির ব্যস্ততার ছবি নজরে এল মালদহের মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর বাজার এলাকায়।
advertisement
advertisement
বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের তরফে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কোনওরকম সুব্যবস্থা না পেয়ে, তারা নিজেরা তৈরি করছেন টিনের ডিঙি নৌকা। টিন কিনে এনে ১৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা দিয়ে তৈরি করাতে হচ্ছে নৌকা। বন্যা কবলিত ভুতনি এলাকার এক বাসিন্দা বিজয় মন্ডল জানান, “এমনিতেই অসহায় অবস্থায় ত্রানের অপেক্ষায় বসে থাকতে হয়। অর্থ উপার্জন একেবারেই নেই। নৌকা কিনব নাকি খাওয়া-দাওয়া করব কিছুই বুঝে উঠতে পারছিনা।”
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ফি বছরই মালদহের মানিকচক, রতুয়া, হরিশ্চন্দ্রপুর ও বৈষ্ণবনগর সহ একাধিক এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তবে অন্যান্য এলাকার তুলনায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি থাকে মালদহের ভুতনিতে। প্রতিবছর এই সময় চাহিদা বাড়ে টিনের ডিঙি নৌকার। যার ফলে চরম ব্যস্ততা দেখা দেয় কাঠমিস্ত্রিদের। তবে কাঠমিস্ত্রিদের আয় হলেও, এমন অবস্থায় বন্যা কবলিদের যে বাড়তি টাকা খরচ হচ্ছে, তা চিন্চার বিষয় হয়েছে অনেকের কাছে।
Location :
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
First Published :
Aug 20, 2025 12:44 PM IST







