মালদহ মেডিক্যালে চিকিৎসকদের দেখা নেই ! ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় অতিরিক্ত স্বাস্থ্যসচিব, UNICEF-র প্রতিনিধিরা

মালদহ মেডিক্যালে চিকিৎসকদের দেখা নেই ! ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় অতিরিক্ত স্বাস্থ্যসচিব, UNICEF-র প্রতিনিধিরা

দিনকয়েক আগেই আচমকা পরিদর্শনে গিয়ে একই রকম অভিজ্ঞতা হয়েছিল মালদহের জেলাশাসকেরও।

  • Share this:

#মালদহ: মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে এবার চিকিৎসকদের দেখা পেলেন না কেন্দ্রীয় অতিরিক্ত স্বাস্থ্যসচিব এবং ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা। এ নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

দিনকয়েক আগেই আচমকা পরিদর্শনে গিয়ে একই রকম অভিজ্ঞতা হয়েছিল মালদহের জেলাশাসকেরও। এদিনের ঘটনায় প্রমানিত, পরিস্থিতির বদল হয়নি মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কিছুতেই চিকিৎসকদের একাংশের কর্মসংস্কৃতি ফেরানো যাচ্ছে না। বারবার বললেও অভ্যেস বদলাচ্ছেন না চিকিৎসকদের অনেকেই।

বৃহস্পতিবার মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব এস.কে সিকদার। সঙ্গে ছিলেন  ইউনিসেফের আধিকারিকরাও। উচ্চ পর্যায়ের এই প্রতিনিধি দলের পরিদর্শনের কর্মসূচী আগাম জানা ছিল মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। কিন্তু, এরপরেও একাধিক ওয়ার্ডে গরহাজির থাকলেন চিকিৎসকরা। যা নিয়ে প্রতিনিধিদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হল হাসপাতালের অধ্যক্ষ এবং সুপারকে।

এদিন সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পৌচ্ছোয় পরিদর্শক দল। মা ও শিশুদের বিশেষ বিভাগ 'মাতৃমা' ঘুরে দেখেন তাঁরা। প্রসূতি বিভাগ, শিশু বিভাগ, নবজাতক বিভাগ, এসএনসিইউ প্রভৃতি বিভাগ ঘুরে দেখেন তাঁরা। কিন্তু, প্রায় কোনও ওয়ার্ডেই কোথাও চিকিৎসকদের দেখা পাননি তাঁরা।

এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি আচমকা কাউকে কিছু না জানিয়ে হাসপাতালে হাজির হয়েছিলেন মালদহের জেলাশাসক তথা হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান রাজর্ষি মিত্র। ওই দিনও ওয়ার্ডে চিকিৎসকদের না পেয়ে প্রকাশ্যে কর্তৃপক্ষকে ভৎসর্না করেছিলেন জেলাশাসক।তলব করে সতর্ক করা হয়েছিল কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু,এরপরেও এদিনও কার্যতঃ একই ঘটনার পূনরাবৃত্তি ঘটল।

বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করায় অস্বস্তিতে পড়েন মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার অমিত কুমার দাঁ। চিকিৎসক না থাকার ঘটনা স্বীকার করে এবিষয়ে অধ্যক্ষকে ব্যবস্থা নিতে লিখিতভাবে আর্জি জানানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন সুপার।

Sebak Deb Sharma

First published: February 21, 2020, 8:31 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर