Jalpaiguri News: “বইখাতা সব নিয়ে গিয়েছে জল!” কান্নাভেজা গলায় বলছে কিশোরী
- Reported by:SUROJIT DEY
- Published by:Salmali Das
Last Updated:
Jalpaiguri News: আমার আর বই পড়া হবে না... বই লাগবে! কান্নায় ভেঙে পড়ে কাতর কন্ঠে হা হুতাশ ছোট্ট কন্যার! জলঢাকা নদীর তীব্র বন্যায় ধ্বংসস্তূপে রামসাই, স্কুল পড়ুয়ার চোখে জল। রামসাই এলাকার সুকান দিঘী, বারোহাতি ও সেনপাড়া গ্রামে দুঃস্বপ্নের এক দৃশ্য দেখা গেল।
জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: আমার আর বই পড়া হবে না… বই লাগবে! কান্নায় ভেঙে পড়ে কাতর কন্ঠে হা হুতাশ ছোট্ট কন্যার! জলঢাকা নদীর তীব্র বন্যায় ধ্বংসস্তূপে রামসাই, স্কুল পড়ুয়ার চোখে জল। রামসাই এলাকার সুকান দিঘী, বারোহাতি ও সেনপাড়া গ্রামে দুঃস্বপ্নের এক দৃশ্য দেখা গেল। গ্রামের প্রায় ৩২টি বাড়ির অধিকাংশই বন্যার জলে ধ্বংসপ্রায়। দুই দিনের ভারী বৃষ্টিতে বাড়িঘর, রাস্তা এবং সকল জীবন-সামগ্রী তছনছ হয়ে গিয়েছে। অনেক বাড়ি ভেঙে পড়েছে, কুয়ার জলে ভরা কাদা ঘরে ঢুকেছে।স্কুল ছাত্রীর কাতর কন্ঠ, “আমার আর পড়াশোনা হবে না, বইখাতা সব তলিয়ে নিয়ে গেছে।”
রান্নার সব সামগ্রী বন্যায় ভেসে গেছে, গ্রামে এখন শুধুই কান্নার রোল। স্বাস্থ্য দফতর গ্রামগুলিতে পৌঁছে প্রতিটি বাড়িতে জল পান করার ওষুধ ও সামগ্রী বিতরণ করছে। মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে—এই সময়ে কোনওভাবেই স্থানীয় জল পান করা যাবে না। স্থানীয়রা বলছেন, “একদিনের ভারী বৃষ্টিতে আমাদের পুরো গ্রাম ধ্বংসপ্রায় হয়ে গেছে। বাড়ি, স্কুল, রাস্তা—সবই অকেজো।”
advertisement
advertisement
রামসাই এলাকায় জলঢাকা নদী ও মূর্তি নদীর জল প্রবলভাবে ঢুকে পড়েছে, ফলে ক্ষতি অগণিত। পরিবেশ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মনে করাচ্ছে, অব্যাহত বৃষ্টিপাত ও নদীর জল বৃদ্ধির ফলে এমন বিপর্যয় ফের হতে পারে। তাই তাদের আবেদন, টাকা পয়সা চাইনা, চাই শুধু ঘর, হারিয়ে যাওয়া জিনিস! এদিকে, ছোট্ট কন্যার কান্না ভেজা কন্ঠে জানায়, পড়াশোনার বই খাতা লাগবে, সামনেই যে পরীক্ষা! সরকারের ত্রাণ ব্যবস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় প্রাথমিক উদ্ধার ও পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে। তবে এখানকার মানুষদের চোখে এখনও আতঙ্ক এবং ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা স্পষ্ট। এই বন্যা শুধুই ভৌত ক্ষয়ক্ষতি নয়, মানুষের জীবনের উপরও গভীর ছাপ ফেলেছে!
Location :
Jalpaiguri,West Bengal
First Published :
Oct 07, 2025 8:37 PM IST










