করোনা আতঙ্কে রপ্তানী বানিজ্য বন্ধের আশঙ্কা, লোকসানের ভয়ে মহদীপুর সীমান্তে বাংলাদেশে মালপত্র রপ্তানীর হুড়োহুড়ি

করোনা আতঙ্কে রপ্তানী বানিজ্য বন্ধের আশঙ্কা, লোকসানের ভয়ে মহদীপুর সীমান্তে বাংলাদেশে মালপত্র রপ্তানীর হুড়োহুড়ি

যদিও মহদীপুর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এখনও পর্যন্ত রপ্তানী বন্ধের কনও নির্দেশিকা নেই

  • Share this:

#মালদহ: মালদহের ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে প্রতিদিনই ভিড় বাড়ছে বাংলাদেশ গামী পন্যবাহী ট্রাকের। বাংলাদেশে মালপত্র রপ্তানীর জন্য রীতিমতো হুড়োহুড়ি চলছে মহদীপুরে। করোনা সতর্কতায় ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে সীমান্তে মানুষের যাতায়াত। বাতিল হয়েছে ভিসা। এরপর যে কোনও সময় আমদানী রপ্তানী বানিজ্যে নিষেধাঞ্জার আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা। প্রত্যেকেই চাইছেন যত দ্রুত সম্ভব পন্য বোঝাই ট্রাক বাংলাদেশে পাঠাতে। কারন স্থল বন্দর পুরোপুরি বন্ধ হলে কোটি কোটি টাকার লোকসানের মুখে পড়তে হবে রপ্তানী কারকদের। মালদহের মহদীপুর সীমান্ত দিয়ে বছরে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার আমদনী রপ্তানী বানিজ্য হয়। এই সীমান্ত দিয়ে দৈনিক ২০০-র বেশী পন্য বোঝাই গাড়ি বাংলাদেশে যায়। বাংলাদেশে রপ্তানী হওয়া মালপত্রের মধ্যে পাথরের পাশাপাশি থাকে পেঁয়াজ এবং আঙ্গুর, কমলা লেবু, আপেলের মতো রকমারী পচনশীল ফল। বর্তমানে ভারত থেকে যে সব গাড়ির চালক ও খালাসী মালপত নিয়ে বাংলাদেশে যাচ্ছেন সীমান্তের দুই পারেই তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। কিন্তু যে ভাবে করোনার প্রকোপ বাড়ছে তাতে গাড়ি চালক ও খালাসীরাও আতঙ্কিত। শুক্রবার সাধারনত বাংলাদেশে ছুটির কারনে রপ্তানী বানিজ্য বন্ধ থাকে। এদিনও মহদীপুর সীমান্তে কয়েক শো গাড়ির লন্বা লাইন চোখে পড়েছে। রপ্তানীকারকেরা বলেন, কোনও কারনে রপ্তানী বন্ধ হলে পচনশীল ফল ও সবজীতে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশে মাল পাঠানোর তোড়জোড় চলছে। যদিও মহদীপুর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এখনও পর্যন্ত রপ্তানী বন্ধের কনও নির্দেশিকা নেই। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশে মালপত্র খালি করে যেসব গাড়ি ফিরছে তাঁদের শরীরে জ্বর বা করোনার মতো উপসর্গ রয়েছে কিনা তা স্কিনিং করে দেখা হচ্ছে। সরকারি নির্দেশ পেলে প্রয়োজন মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Sebak DebSarma

First published: March 20, 2020, 10:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर