‘অস্তিত্বহীন’ পড়ুয়াদের নামে ভুয়ো মার্কশিট দিয়ে সরকারি স্কলারশিপের চক্র মালদহে
- Published by:Simli Raha
Last Updated:
Sebak DebSarma
#মালদহ: ‘অস্তিত্বহীন’ পড়ুয়ার নামে একাধিক জাল নথি তৈরী। এরপর উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন।সরকারি স্কলারশিপ হাতানোর চক্র সক্রিয় মালদহে। এমন অসংখ্য ভুয়ো নথি দেখে চক্ষু চড়কগাছ গৌড়বঙ্গ বিশ্ব বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। এর পেছনে বড়সড় চক্র রয়েছে বলে সন্দেহ। বিজলী মণ্ডল, অনিতা সাহা, তুফান বসাক, অনিল মণ্ডল......এমন আরও অসংখ্য পড়ুয়ার নামে স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ পাওয়ার আবেদন জমা পড়েছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। আবেদনও জমা হয়েছে অনলাইনে। প্রতিটি আবেদন পত্রের সঙ্গে নিয়ম মেনে যুক্ত করা হয়েছে নানাবিধ সরকারি নথি।
advertisement

advertisement
এই তালিকায় রয়েছে- (১) মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নামে মাধ্যমিক পরীক্ষার মার্কশিট (২)গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে স্নাতক স্তরের পরীক্ষার মার্কশিট (৩) বিডিও অফিসের নামে রেসিডেনশিয়াল এবং ইনকাম সার্টিফিকেট (৪) আধার কার্ড (৫) ব্যাঙ্কের পাশ বই এর জেরক্স। এত সব নথিপত্র দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে আবেদনের ছাড়পত্র দেবে এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সবুজ সংকেত দিলে উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে যাবে বছরে চব্বিশ হাজার করে টাকা। প্রত্যেক ছাত্র দুই বছরে পাবেন মোট আটচল্লিশ হাজার টাকা। কিন্তু, নথিপত্র খতিয়ে দেখতে গিয়েই চক্ষ চড়কগাছ গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের। দেখা যাচ্ছে একের পর এক নথিপত্র জাল।
advertisement

কিভাবে নজরে এসেছে এই চক্র ? প্রথমে দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাখিল করা মার্কশিট ভুয়ো। এরপর দেখা গিয়েছে ওই নামের কোনো পড়ুয়াই নেই গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। আরও খতিয়ে দেখতে গিয়ে নজরে পড়েছে 'ভুয়ো পড়ুয়ার' ছবির সঙ্গে আধার ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ছবির পার্থক্য। অথাৎ স্কলারশিপ হাতানোর চক্রের সক্রিয়তা স্পষ্ট। এমন প্রায় ১০০ নথি পেয়েছে গৌড়বঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়। শুরু হয়েছে তদন্ত। এভাবে পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ স্কলারশিপ হাতানোর চক্রের খবরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যেও। গোটা ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।
Location :
First Published :
Jan 24, 2020 4:44 PM IST







