• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • বিমল গুরুঙের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিল আদালত

বিমল গুরুঙের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিল আদালত

Bimal Gurung

Bimal Gurung

  • Share this:

     #দার্জিলিং: বিমল গুরুঙের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হল। আপাতত নোটিস জারির নির্দেশ দিয়েছে দার্জিলিং আদালত। গুরুং ছাড়াও তাঁর স্ত্রী আশা গুরুং ও রোশন গিরি-সহ পাঁচ জনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিন এক অডিও বার্তায় ফের ৩০ অক্টোবরের মধ্যে প্রকাশ্যে আসার কথা জানিয়েছেন গুরুং। যদিও এবারে তাঁর গলার সুর ছিল অনেকটাই নরম।

    আরও চাপে বিমল গুরং। এবার আদালতের নির্দেশে গুরুং-সহ ছয় জনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হল। বুধবার দার্জিলিং আদালত নির্দেশ দেয়,

    - ২৩ নভেম্বরের মধ্যে গুরুংকে আত্মসমর্পণ করতে হবে - না হলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে

    গুরুং ছড়াও তার ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    - বিমল ছাড়াও আশা গুরুং, রোশন গিরি - প্রকাশ গুরুং, অমৃত ইয়ানজন ও অশোক ছেত্রীর নাম - ২৩ নভেম্বরের মধ্যে অভিযুক্তদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ - না হলে তাঁদেরও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে

    আপাতত নোটিস জারি করে পুলিশকে দ্রুত নির্দেশ কার্যকর করতে বলেছে আদালত। দার্জিলিং ও লোধামা থানার ওসিকে ২৩ অক্টোবর এই বিষয়ে রিপোর্টও দিতে বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গুরুং-সহ ছয় জন আত্মসমর্পণ না করলে তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ শুরু করা হবে। এই পরিস্থিতিতে চাপের মুখে এদিন ফের একটি অডিও বার্তা পাঠিয়েছেন গুরুং। তাতে রাজ্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছেন তিনি। যদিও এদিন গুরুঙের গলার সুর ছিল অনেকটাই নরম।

    গুরুঙের অডিও বার্তা-

    বিমল ও তাঁর সহযোগী জিএলপির ক্যাম্পে অভিযান, হামলা। সব ষড়যন্ত্র। বিমল গুরুঙকে মেরে গোর্খাল্যান্ডের দাবি শেষ করার ষড়যন্ত্র বাংলার। কেএলওর হাতিয়ার, আত্মসমর্পণকারীদের হাতিয়ার নিয়ে বিমল গুরুঙকে ফাঁসানোর চক্রান্ত চলছে। জনতাকে সতর্ক থাকতে হবে। জনতাকে সতর্ক থাকতে হবে কারণ এটা একটা প্ল্যান যাতে বিমল গুরং প্রকাশ্যে আসতে না পারে। রাজনীতি না করতে পারে। যে কেউ মরলেই বিমল গুরুঙের নাম দিয়ে ফাঁসানোর ছক করেছে বাংলার সরকার। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বদনাম করার চেষ্টা চলছে। আমি অবশ্যই তোমাদের কাছে আসব। ৩০ অক্টোবরের মধ্যে প্রকাশ্যে আসব বলেছিলাম। তা ঠেকাতেই সরকারের এই ষড়যন্ত্র। তার পরেও আমি আসবই।

    দেশদ্রোহিতার মামলা থাকায় অন্তরালে গিয়ে বাঁচতে চাইছিলেন গুরুংরা। এদিনের আদালতের নির্দেশে গুরুংবাহিনীর সেই স্ট্র্যাটেজি অনেকটাই ধাক্কা খেল।

    First published: