লাগাতার মাস্ক ও স্যানিটাইজারের কালোবাজারির অভিযোগ, দোকানে দোকানে হানা এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের

লাগাতার মাস্ক ও স্যানিটাইজারের কালোবাজারির অভিযোগ, দোকানে দোকানে হানা এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের

কিছু দোকানে গোপনে বিক্রি হলেও দাম নেওয়া হচ্ছে কয়েকগুণ বেশী। বেশীর ভাগ নাগরিকই দোকানে দোকানে ঘুরেও এই সবের নাগাল পাচ্ছেন না।

  • Share this:

#মালদহ:-মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের কালোবাজারি রুখতে মালদহে অভিযান এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের। একাধিক ওষুধ এবং মনোহারির   দোকানে হানা। ইতিমধ্যেই অত্যাবশ্যকীয় পন্য হিসেবে ঘোষণা হয়েছে এই দুটি জরুরী জিনিস। কিন্তু মালদহের বাজারে মাস্ক বা স্যানিটাইজার কিছুই মিলছে না বলে অভিযোগ। কিছু দোকানে গোপনে বিক্রি হলেও দাম নেওয়া হচ্ছে কয়েকগুণ বেশী। বেশীর ভাগ নাগরিকই দোকানে দোকানে ঘুরেও এই সবের নাগাল পাচ্ছেন না। বিভিন্ন মহলে এমন অভিযোগ ওঠায় অবশেষে আসরে নামল জেলা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ।

বুধবার সকাল থেকে মালদা শহরের ৩০ টির বেশী দোকানে হানা দেয় পুলিশের বিশেষ দল। বেশীর ভাগ দোকানেই কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয় কলকাতা থেকে মালপত্রের জোগান পাচ্ছেন না তাঁরা। তাই খোলা বাজারে সঙ্কট তৈরী হয়েছে। গুটি কতক দোকানে স্টক যাচাই করতে গিয়ে মাস্ক ও স্যানিটাইজারের হদিশ  পান তদন্তকারিরা। ওইসব দোকানের মালিকদের স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় কোনও অবস্থাতেই অত্যাবশ্যকীয় এইসব জিনিসের বাড়তি দাম  নেওয়া যাবে না। কালো বাজারী প্রমানিত হলেই নির্দিষ্ট ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বেআইনী ভাবে জিনিসপত্র মজুদ করা যাবে না বলেও এদিন দোকানে দোকানে ঘুরে জানিয়ে দেয় পুলিশ। যতক্ষন পর্যন্ত দোকানে মাস্ক বা স্যানিটাইজার থাকবে ততক্ষন পর্যন্ত নির্দিষ্ট দামেই বিক্রি করতে হবে বলেই জানাই পুলিশ। এদিন পুলিশী অভিযানের পর মালদা কিছ দোকানে ক্রেতারা মাস্ক ও স্যানিটাইজার কিনতে পারেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে জোগানের সমস্যার বিষয়টি উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে।

Sebak Deb Sharma 

First published: March 18, 2020, 10:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर