রাত পোহালেই নববর্ষ! করোনার জেরে উধাও চৈত্র সেল, খাঁ খাঁ করছে বাজার
- Published by:Ananya Chakraborty
Last Updated:
কোভিড ১৯-এর জের মন্দা বাজার। ঘরে বসেই দিন কাটছে ব্যবসায়ীদের
#শিলিগুড়ি: রাত পোহালেই বাংলা নববর্ষ। নতুন বাংলা বর্ষকে বরণ করে নেওয়ার দিন। নতুন এক বছরের সূচনা। এই উৎসব মানে নতুন জামা কাপড় পরার দিন। হালখাতা করার দিন। মন্দিরে মন্দিরে পুজো দেওয়ার দিন। সন্ধ্যেয় মিষ্টি আর নতুন বাংলা বছরের ক্যালেণ্ডার হাতে নিয়ে ঘরে ফেরা। কিন্তু সবেতেই এবার কোভিড ১৯-এর ধাক্কা। আজ ছিল বাংলা বছরের শেষ দিন। চৈত্র সেলের শেষ দিন। শিলিগুড়ির বিধান মার্কেট থেকে নিবেদিতা মার্কেট। হকার্স কর্ণার থেকে হিলকার্ট রোডের ফুটপাত। চারদিক শুনশান।
যেখানে বাজারে ঢুকলেই সেল, সেল, সেল চিৎকারে কান পাতা দায়। সেখানে আজ খাঁ খাঁ করছে গোটা বাজার। দেখা নেই ক্রেতার। করোনার থাবায় ঝাঁপ খোলেনি দোকানপাটের। ঘরে বসে বিক্রেতারা। সরকারী লকডাউনের আগে থেকেই শিলিগুড়ির বিভিন্ন বাজার বন্ধ। এখোনও চলছে লকডাউন। কাল প্রধানমন্ত্রীর দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। কিন্তু এ কোন বিধান মার্কেট? শেঠ শ্রীলাল মার্কেট? হকার্স কর্ণারের চেনা ছবি উধাও। সন্ধ্যেতেই যেন মধ্য রাতের নিস্তব্ধতার ছবি। রেডিমেট জামাকাপড়ের দোকানে তালা বন্ধ। মন খারাপ বাঙালির।
advertisement
নতুন জামা কাপড় কেনার হিড়িকের সেই পুরনো ছবি আর নেই। কোভিড ১৯-এর জের মন্দা বাজার। ঘরে বসেই দিন কাটছে ব্যবসায়ীদের। বিষন্ন মন! কবে আবার ব্যবসা জমবে, তা অজানা। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর কবে জমবে বাজার? আর তাই আজ চৈত্রের পড়ন্ত বিকেলেও মনমরা বাংলার বাজারঘাট। কেনাকাটা দূর অস্ত। সকালের দিকে শহরে কিছু রেডিমেট পোশাকের দোকানের সাটার হাফ খুললেও পুলিশ এসে বন্ধ করে দেয়।
advertisement
advertisement
Partha Pratim Sarkar
Location :
First Published :
Apr 13, 2020 9:25 PM IST











