গোপন প্রেমের কথা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি কেউ, হেমতাবাদে দেওর-বৌদির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য

গতকাল রাত্রি দশটার নাগাদ বাড়ি থেকে তাঁরা বের হন। এ দিন সকালে বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে একটি আম গাছে বিশ্বজিৎ এবং মুনমুনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান গ্রামবাসীরা।

গতকাল রাত্রি দশটার নাগাদ বাড়ি থেকে তাঁরা বের হন। এ দিন সকালে বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে একটি আম গাছে বিশ্বজিৎ এবং মুনমুনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান গ্রামবাসীরা।

  • Share this:

Uttam Paul

#হেমতাবাদ: দেওর-বৌদির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য । ঘটনাটি উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ থানার শীতলপুর গ্রামে। পুলিশ দেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ গভঃ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে এসেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হেমতাবাদ থানার পুলিশ।

জানা গিয়েছে, হেমতাবাদ থানার শীতলপুরের বাসিন্দা বাপ্পা দাস ও তাঁর ভাই বিশ্বজিৎ ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করেন। লকডাউনের কারণে বিশ্বজিৎ দাস বাড়িতে ফিরে এলেও বাপ্পা ভিন রাজ্যেই থেকে যায়। বাপ্পা দাসের এক ছেলে, এক মেয়ে। অভিযোগ, বাপ্পার ভাই বিশ্বজিতের সঙ্গে বিবাহবর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তাঁর স্ত্রী মুনমুন দাস মাইতি। পরিবারের কাছে এ বিষয়ে কিছুই জানা ছিল না। গতকাল রাত্রি দশটার নাগাদ বাড়ি থেকে তাঁরা বের হন। এ দিন সকালে বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে একটি আম গাছে বিশ্বজিৎ এবং মুনমুনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান গ্রামবাসীরা। গ্রামে এই খবর ছড়িয়ে পড়েতেই ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশ দেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ গভঃ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হেমতাবাদ থানার পুলিশ।

মৃতার শ্বশর ভপবত দাস জানান, এই সম্পর্কের বিষয়টি তাঁরা জানতেন। আজ সকালেই গ্রামের মানুষ তাঁদের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে বাড়িতে খবর দেয়। কেন তাঁরা আত্মহত্যা করলেন সে বিষয়ে পরিবারের লোকেরা অন্ধকারে। প্রতিবেশী দুলাল চন্দ্র দাস জানান, পুলিশের গাড়ি আসতে দেখে তাঁরা ঘটনাস্থলে আসেন। গাছে বৌদি-দেওড়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। তাঁদের মধ্যে যে সম্পর্ক ছিল তা কোন দিনই জানতেন না। তবে বলাবলি হচ্ছে, দেওরের বৌদির সম্পর্কের জন্যই তাঁরা আত্মহত্যা করেছেন।

বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য মনতোষ রায় জানান, দুইজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে তিনি এসেছেন। তাঁদের মধ্যে কোনও সম্পর্ক ছিল কি না তা তিনি জানেন না। তবে এলাকার মানুষ বিবাহবর্হিভূত সম্পর্কের কথা বলছেন। মুনমুনের স্বামী বাপ্পাকে ঘটনার কথা জানানো হয়েছে। সে বাড়িতে আসার জন্য রওনা হয়েছে।

Published by:Simli Raha
First published: