সারাবছর চাহিদা! কাশফুল থেকে স্বনির্ভরতা, পুজোর বাজার মাতাচ্ছে কুশের আসন
- Reported by:SUSMITA GOSWAMI
- Published by:Nayan Ghosh
Last Updated:
ফুল হওয়ার আগে ঘাস কেটে এনে শুকিয়ে নিতে হয়। তারপর বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে বাঁধতে হয় আসনের মাপে।
দক্ষিণ দিনাজপুর, সুস্মিতা গোস্বামী : বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান কুশের আসন। পুজো কিংবা বছরের অন্যান্য দিন, সারা বছরই কুশের আসনের প্রয়োজনীয়তা কম বেশি থেকেই যায়। তাই চাহিদাও ব্যাপক। আর সেই চাহিদার জোগান দিতেই বৃদ্ধ বয়সেও বালুরঘাট শহর লাগোয়া পাগলিগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা শ্যামল রায় তাঁর নিপুণ হাতে কাশ ফুলের ঘাস দিয়ে কুশের আসন বানিয়ে স্বনির্ভরতার দিশা দেখাচ্ছেন।
বাঙালির পার্বণগুলির সময় চাহিদা ভাল থাকার কারণে দামও ভাল পেয়ে থাকেন। বাজারে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা অবধি দাম পাওয়া প্রতি পিসে। একসঙ্গে বেশ কয়েকটা তৈরি হওয়ার পরেই তা বাজারজাত করা হয়। তাই পুজোর সময়গুলিতে নাওয়া খাওয়া ভুলে দিনরাত পরিশ্রম করে কুশের আসন তৈরিতে ব্যস্ত থাকেন শ্যামলবাবু।
আরও পড়ুন : ভিনরাজ্যের প্যান্ডেলেও আসানসোলের দাপট! রাতদিন এক করেছেন শিল্পীরা, চিন্তা শুধু বৃষ্টি
শ্যামল বাবুর কথায়, “কাজের শুরুতে তেমন চাহিদা না থাকলেও, বর্তমানে প্রতিটি পুজোতেই কুশের আসনের চাহিদা বাড়েছ। বাজারজাত করতে রীতিমত হিমশিম খেতে হয়। তবে, এই কাজের পিছনে রয়েছে হাড় ভাঙা পরিশ্রম। ফুল হওয়ার আগেই মাঠে গিয়ে কাশ ফুলের ঘাস কেটে এনে তা বাড়িতে ভালভাবে শুকিয়ে নিতে হয়। তারপর সাইজ অনুযায়ী কেটে বাঁশ দিয়ে তৈরি বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে বাঁধতে হয় আসনের মাপে। এইভাবেই তৈরি হয় কুশের আসনগুলি।”
advertisement
advertisement
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দিন দিন এই কুশের আসনগুলির চাহিদা বেড়েই চলেছে। তাই শ্যামল বাবুর পারদর্শীতা দেখে আশেপাশের মহিলারাও অনুপ্রাণিত হচ্ছেন। ভ্যান চালানোর পাশাপাশি তপ্ত রোদে ঘাস কেটে কুশের আসন বানিয়ে পেটের খিদে মেটাতে ভোর থেকেই যুদ্ধ শুরু করেন তিনি। ভ্যান চালিয়ে যেটুকু অর্থ উপার্জন হয়, তাতে সংসার চালানো কষ্টের। তাই সংসার সামলাতে স্ত্রীর পাশে কাঁধে কাঁধ রেখে হাড় ভাঙা পরিশ্রম করে প্রতিদিন সকাল থেকেই এই কাজে নিজেকে নিয়োগ করেন শ্যামল রায়।
Location :
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
First Published :
Aug 20, 2025 8:01 PM IST






