উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

দিল্লি থেকে কালিম্পংয়ে ফেরার পথে চলন্ত ট্রেনেই মৃত্যু এক মহিলা পরিযায়ী শ্রমিকের

দিল্লি থেকে কালিম্পংয়ে ফেরার পথে চলন্ত ট্রেনেই মৃত্যু এক মহিলা পরিযায়ী শ্রমিকের

আরও এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল। এবারে কালিম্পংয়ের এক মহিলা পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল। দিল্লি থেকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে পরিবারের লোকেদের সঙ্গে ফিরছিলেন বাড়িতে। অসুস্থ বোধ করেন।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: আরও এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল। এবারে কালিম্পংয়ের এক মহিলা পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হল। দিল্লি থেকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে পরিবারের লোকেদের সঙ্গে ফিরছিলেন বাড়িতে। অসুস্থ বোধ করেন। চলন্ত ট্রেনেই মৃত্যু হয় কৃপা শেরপা নামে ওই মহিলা শ্রমিকের। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে ময়না তদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছে। উত্তরপ্রদেশে নামানো হয় মৃত দেহ। তারপর সেখান থেকে ময়না তদন্তের পর অ্যাম্বুলেন্সে দেহ আজ এসে পৌঁছয় শিলিগুড়িতে। তারপর এখান থেকে মৃতদেহ রওনা দেয় কালিম্পংয়ের আলগাড়ার বাড়িতে। ঘটনায় গভীর শোক ব্যক্ত করেছেন জিটিএ'র চেয়ারম্যান অনীত থাপা। তাঁর উদ্যোগেই দেহ যায় কালিম্পংয়ের পথে। ইতিমধ্যেই জিটিএ মৃতার পরিবারের হাতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে। কার্শিয়ং মহকুমা হাসপাতালের রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান বিন্নি শর্মার অভিযোগ অসুস্থ হওয়ার পর মহিলার পরিবারের লোকেরা বহুবার জি আর পি, টিটিইদের সাহায্য চেয়েছিল। কিন্তু কেউই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়নি। যার ফলে ট্রেনেই ঢলে পড়েন তিনি। অন্যদিকে আজই দিল্লি থেকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন এসে পৌঁছয় এনজেপি স্টেশনে। এর মধ্যে অধিকাংশই পাহাড়ের পরিযায়ী শ্রমিক। স্টেশনে পৌঁছন জিটিএ'র চেয়ারম্যান অনীত থাপা। জিটিএ'র উদ্যোগে আলাদা কাউন্টার খোলা হয়েছে। তাঁর উদ্যোগে দিল্লি থেকে ফেরা  পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়িতে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়। কালিম্পং, কার্শিয়ং এবং দার্জিলিংয়ের বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দা। আলাদা আলাদা গাড়িতে পরিযায়ীদের ফেরানো হয়। অনীত থাপা জানান, স্থানীয় প্রশাসন ঠিক করবে পরিযায়ীদের ঠিকানা কোথায় হবে? কোয়ারেন্টাইন সেন্টার না হোম কোয়ারেন্টাইন সেন্টার? পাহাড়ের আরও অনেকেই আটকে রয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তাদেরকেও শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে ফিরিয়ে আনা হবে। পাহাড়ে সরকারী কোয়ারেন্টাইনের পাশাপাশি সমাজ কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জিটিএ সব দিক থেকেই প্রস্তুত। যাতে কোনও সমস্যায় না পড়ে ভিন রাজ্যে আটকে থাকা পাহাড়ের বাসিন্দারা।

Published by: Akash Misra
First published: May 29, 2020, 4:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर