চোপড়ার চা বাগানে হঠাৎ উদ্ধার নীলগাই, ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়

চোপড়ার চা বাগানে হঠাৎ উদ্ধার নীলগাই, ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়
উত্তর দিনাজপুর জেলা সংলগ্ন বিহার। বিহার থেকে এই নীলগাইটি সীমান্ত পেরিয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলায় ঢুকে পড়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান।

উত্তর দিনাজপুর জেলা সংলগ্ন বিহার। বিহার থেকে এই নীলগাইটি সীমান্ত পেরিয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলায় ঢুকে পড়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান।

  • Share this:

Uttam Paul

#চোপড়া: চোপড়া থানার আড়ালি গ্রামে নীলগাই উদ্ধারে ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় মানুষ নীলগাইটি উদ্ধার করে চোপড়া বনদফতরের হাতে তুলে দিয়েছে। বনদফতর নীলগাইটিকে রায়গঞ্জ কুলিক পক্ষীনিবাসে নিবাসে নিয়ে এসেছে। বনদফতরের দাবি, নীলগাইটি বিহার থেকে বাংলায় ঢুকে পড়েছে। চা বাগানে দৌড়াদৌড়িতে নীলগাইটি সামান্য আঘাত পেয়েছে। তবে আঘাত গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন চোপড়া বনাধিকারিক সঞ্জীব কুমার দাস।

উত্তর দিনাজপুর জেলা চোপড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আড়ালি গ্রামে স্থানীয় বাসিন্দারা গতকাল একটি হরিণের মত জন্তু দেখতে পান।  জন্তুটিকে দেখার পর তার পিছু ধাওয়া করলে সে চা বাগানে ঢুকে পড়েছিল। দীর্ঘক্ষণ তার পিছনে ছোটাছুটি করেও জন্তুটিকে ধরতে পারেননি গ্রামবাসীরা। বৃহস্পতিবার আবার ওই আড়ালি গ্রামেই জন্তুটিকে দেখা গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা চারিদিক থেকেই নীলগাইটিকে ঘিরে ধরে তাকে ধরে ফেলে। নীলগাই উদ্ধারে খবর পেয়ে রামগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।খবর দেওয়া হয় চোপড়া থানার পুলিশকে। নীলগাইটিকে বনদফতরের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য চোপড়া বনদফতরকে খবর দেওয়া হয়। বনদফতরের আধিকারিকরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন। বনদফতরের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে নীলগাইটিকে গাড়িতে তুলে রায়গঞ্জ কুলিক পক্ষীনিবাসের উদ্দেশ্যে রওনা হন।


চোপড়া বনাধিকারিক সঞ্জীব কুমার সাহা জানান, গ্রামবাসীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে বনকর্মীরা সেখানে পৌঁছে নীলগাইটি উদ্ধার করে কুলিক পক্ষীনিবাসে নিয়ে গিয়েছেন। নীলগাইটিকে আপাতত কুলিক পক্ষীনিবাসেই রাখা হবে। দৌড়াদৌড়ি করে নীলগাইটি সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। তবে আঘাত গুরুতর নয় বলে সঞ্জীববাবু জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, উত্তর দিনাজপুর জেলা সংলগ্ন বিহার। বিহার থেকে এই নীলগাইটি সীমান্ত পেরিয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলায় ঢুকে পড়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। নীলগাইটি চোপড়া থানা এলাকায় চা বাগানে ঢুকে পড়েছিল। কবে এই নীলগাইটি ঢুকেছিল তা তাদের জানা নেই।

Published by:Simli Raha
First published:

লেটেস্ট খবর