সবে বিয়ে হয়েছিল, মোটা টাকার দাবিতে অষ্টাদশী নববধূকে পিটিয়ে-শ্বাসরোধ করে খুন

সবে বিয়ে হয়েছিল, মোটা টাকার দাবিতে অষ্টাদশী নববধূকে পিটিয়ে-শ্বাসরোধ করে খুন
প্রতীকী ছবি

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী নববধূকে পিটিয়ে এবং শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে।

  • Share this:

#মালদহ: প্রেমের পরিণতি খুন। বিয়ের মাত্র আটমাসেই মধ্যেই খুন হলেন নববধূ।

শুনেই আঁতকে উঠছেন তো?  কিন্তু এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে মালদহে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী নববধূকে পিটিয়ে এবং শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার সকালে ওই বধূর দেহ উদ্ধার হয় কালিয়াচক থানার সিলামপুর তালতলা এলাকা থেকে। ঘটনার পর মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে শাশুড়ি সারমিনা বিবিকে গ্রেফতার করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ। ঘটনার পর থেকে পলাতক মৃতের স্বামী আজাদ শেখ-সহ শ্বশুরবাড়ি অন্যান্যরা। দেহ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  মৃত নববধূর নাম জাহানারা  বিবি (২১)। তাঁর বাড়ি কালিয়াচক থানার আলিনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের নুরনগর গ্রামে। মৃত ওই ছাত্রী অচিনটোলা হাইমাদ্রাসায় দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া।  এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিত সে। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে,  গত আট মাস আগে প্রতিবেশী সিলামপুর তালতলা এলাকার বাসিন্দা আজাদ শেখের সঙ্গে ভালোবেসে বিয়ে করে জাহানারা বিবির। দুই পরিবারই প্রথমে বিয়ের মেনে নিয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, বিয়ের এক মাস পর থেকেই শুরু হয় ব্যাপক অত্যাচার। প্রায় দিনই জাহানারা বিবিকে মারধর করতো শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। পুলিশ জানিয়েছে, এদিন সকালে জাহানারার দেহ তার শ্বশুর বাড়িতেই ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে ওই বধূকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পরই ঝুলিয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

মৃত ওই বধুর বাবা মুসলেম শেখ, ও মা সাবেদা বিবি জানিয়েছেন, বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই মেয়েকে ব্যাপক মারধর করছিল জামাই ও শ্বশুর বাড়ির লোকেরা। দু'লক্ষ টাকা দাবি করেই অত্যাচার চালানো হচ্ছিল। রীতিমতো ঘরবন্দী করে রেখেছিল তাঁকে।  এই অত্যাচারের কথা মোবাইলে ফোন করেও জানিয়েছিল মেয়ে। কিন্তু, পরিবারের পক্ষে দুই লক্ষ টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এরপরই এদিন সকালে পাড়া-প্রতিবেশী মারফত শ্বশুরবাড়িতে দেহ উদ্ধারের বিষয়টি জাহানারার বাবা-মা জানতে পারেন।

First published: February 25, 2020, 6:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर