দেড় কোটি টাকার ব্রাউন সুগার বাজেয়াপ্ত, গ্রেফতার গাড়ির চালক
- Published by:Elina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
অসম থেকে কলকাতার বাজারে পাচারের ছক ভেস্তে দিল ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ
#শিলিগুড়ি: বড়সড় সাফল্য পেল শিলিগুড়ির ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ। অসমের গুয়াহাটি থেকে কলকাতার বাজারে পৌঁছনোর আগেই পুলিশের জালে নিষিদ্ধ মাদক। উদ্ধার ব্রাউন সুগার। যার বাজার দর প্রায় দেড় কোটি টাকা। গুয়াহাটি থেকে একটি ছোটো চার চাকার গাড়িতে কলকাতার বাজারে যাচ্ছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শিলিগুড়ির ঘোষপুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় এই মাদক।
প্রায় পাঁচ কেজি নিষিদ্ধ মাদক ১০টি প্লাস্টিকের প্যাকেটে মুড়িয়ে পাচার করা হচ্ছিল। গাড়ির পেছনের সিটের নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়। মাদক পরীক্ষার জন্যে ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে। এর আগেও শিলিগুড়িকে করিডর করে অসম, মেঘালয়, মণিপুর থেকে নিষিদ্ধ মাদক কলকাতা সহ দেশের বড় বড় শহরে পাচার হয়েছে। কখোনো কেন্দ্রীয় রাজস্ব গোয়েন্দা মন্ত্রক, কখনও বা পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তা বাজেয়াপ্ত করেছে। গ্রেপ্তার হয়েছে গাড়ির চালক, খালাসিরা। যারা এই ধরনের নিষিদ্ধ মাদক পাচারের ক্যারিয়ার মাত্র। কিন্তু মূল পাণ্ডারা এখনও অধরা। তাদের খোঁজে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য গোয়েন্দা পুলিশ তল্লাশি চালিয়েও মূল চক্রীর হদিস এখনও পায়নি। আর তাই পাচারও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা যায়নি।
advertisement
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ফাঁসিদেওয়া। এই এলাকাকেই ব্যবহার করে পাচারকারীরা। এর আগে, হেরোইন, মণিপুরী গাজা বাজেয়াপ্ত হয়েছে এই এলাকা থেকে। তবে কীভাবে বাংলা-অসম সীমান্তের চেক পোস্ট, তিন জেলার পুলিশি পাহারা পার করে শিলিগুড়িতে ঢুকল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সীমান্তের আঁটোসাটো নিরাপত্তার বেষ্টনী অবাধে পার করে শিলিগুড়িতে এলো তা যথেষ্টই ভাবাচ্ছে প্রশাসনিক মহলকে। ফাঁসিদেওয়া থানার ওসি সুজিত লামা জানান, ধৃতের নাম মহম্মদ আশিক আলি। তাঁর বাড়ি অসমের গোলাঘাটে। ধৃতকে জেরা করছে তদন্তকারী পুলিশ অফিসারেরা। মূল পাণ্ডার নাম বের করার চেষ্টা চলছে। রবিবার ধৃতকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হবে। এর সঙ্গে আন্তঃ রাজ্য পাচারকারী চক্র সক্রিয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর ফাঁসিদেওয়া এলাকায় পুলিশি টহলদারী আরো বাড়ানো হবে।
advertisement
advertisement
Partha Sarkar
Location :
First Published :
Feb 08, 2020 7:05 PM IST











