তেলেঙ্গনা এনকাউন্টারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল, অভিযুক্তদের দেহ সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ

তেলেঙ্গনা এনকাউন্টারের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল, অভিযুক্তদের দেহ সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ

এই ঘটনায় তেলঙ্গনা হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করা হয়েছে ৷ এরপর হাইকোর্টের তরফে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অভিযুক্তদের মৃতদেহ ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুরক্ষিত রাখতে ৷

  • Share this:

#হায়দরাবাদ: হায়দরাবাদে গণধর্ষণ-খুনে নিহত চার অভিযুক্তই। ভোরবেলায় পুলিশের এনকাউন্টার। যেখানে নির্যাতিতার মরদেহ পোড়ায় অভিযুক্তরা সেখানেই তারা পুলিশের উপর চড়াও হয়। পাল্টা গুলিতে মৃত্যু হয় চার অভিযুক্তের।

এই ঘটনায় তেলঙ্গনা হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করা হয়েছে ৷ এরপর হাইকোর্টের তরফে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অভিযুক্তদের মৃতদেহ ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুরক্ষিত রাখতে ৷ একদল স্বতন্ত্র কর্মীরা এর আবেদন জানিয়েছেন ৷ দেশজুড়ে এনকাউন্টারের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া এসেছে ৷ বেশিরভাগ মানুষ এই এনকাউন্টারকে সমর্থন জানালেও এক অংশ এর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন ৷

তেলঙ্গনা পুলিশ বলছে আত্মরক্ষায় গুলি চালাতে হয়েছে। কিন্তু সত্যিই কি পালানোর চেষ্টা করেছিল অভিযুক্তরা? নাকি ঠান্ডা মাথায় ভুয়ো সংঘর্ষে খুন করা হয়েছে ৪ জনকে? হায়দরাবাদে ভোররাতের এনকাউন্টার অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়ে গেল।

দেশজুড়ে প্রশংসার বন্যা। পুলিশকে সংবর্ধনা, পুষ্পবৃষ্টি, মিষ্টি বিতরণ। আম জনতা থেকে সেলিব্রিটিদের সাবাশি। হায়দরাবাদ এনকাউন্টারের পর তেলঙ্গনার সাইবারাবাদ পুলিশই যেন এখন বাস্তবের সিঙ্ঘম। কিন্তু এই সাবাশির স্রোতের মধ্যেও চাপা পড়ছে না বেশকিছু প্রশ্ন।

পুলিশ কমিশনার এই যুক্তি দিলেও, এনকাউন্টারের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। প্রশ্ন উঠছে,

- প্রশ্ন ১: পুলিশকর্মীরা থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করল কীভাবে?

- প্রশ্ন ২: নিয়ম অনুয়ায়ী অভিযুক্তদের হাতে হাতকড়ার এক অংশ ও পুলিশের হাতে অন্য অংশ থাকার কথা। তা কি ছিল না?

- প্রশ্ন ৩: পঞ্চাশ জন পুলিশকর্মী ধাওয়া করে কেন অভিযুক্তদের ধরতে পারল না?

- প্রশ্ন ৪: অভিযুক্তদের কোমরের তলায় গুলি করা গেল না কেন?

- প্রশ্ন ৫: চার অভিযুক্ত জেলে আলাদা সেলে থাকা সত্ত্বেও একসঙ্গে পালানোর ছক কষল কীভাবে?

হায়দরাবাদ এনকাউন্টার নিয়ে ইতিমধ্যে স্বতঃপ্রণোদিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

তেলঙ্গনা প্রশাসনের থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকও। তবে অভিনন্দন-সাবাশির স্রোতের বিপরীতে সাঁতরে কি সামনে আসবে প্রকৃত সত্য?

First published: 10:47:52 PM Dec 06, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर