নির্ভয়াকাণ্ডে দোষীদের এক সঙ্গে না আলাদা আলাদা ফাঁসি হবে ?

নির্ভয়াকাণ্ডে দোষীদের এক সঙ্গে না আলাদা আলাদা ফাঁসি হবে ?

মনে করা হচ্ছে দোষীদের তরফে একাধিক আইনি নিয়মের সুযোগ নিয়ে ফাঁসি পিছনোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: এ যেন তারিখ পে তারিখ। একের পর এক কারণে পিছিয়ে গিয়েছে নির্ভয়াকাণ্ডে চার দোষীর ফাঁসি। দোষীদের আইনজীবী, পাতিয়ালা হাউস কোর্টে ফাঁসি স্থগিত রাখার আরজি জানিয়েছিলেন। যুক্তি দেখান, বিনয় শর্মার প্রাণভিক্ষার আরজি নিয়ে রাষ্ট্রপতি এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। তিহাড় জেল ম্যানুয়াল অনুযায়ী, একই অপরাধে একাধিক ব্যক্তির ফাঁসি হলে তাদের একসঙ্গেই ফাঁসি দিতে হয় ৷ আর এর জেরে পিছিয়ে যায় নির্ভয়াকাণ্ডে ফাঁসির সাজা ৷ পয়লা ফেব্রুয়ারি ফাঁসি হওয়ার কথা ছিল দোষীদের ৷ তবে তা অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে যায় ৷

এরপর কেন্দ্র সরকারের তরফে দিল্লি হাইকোর্টে পিটিশন দায়ের করা বলা হয় দোষীদের আলাদা আলাদা দিনে ফাঁসি দেওয়া যেতে পারে ৷ যে দোষীদের প্রাণভিক্ষার আরজি রাষ্ট্রপতি খারিজ করে দিয়েছেন তাদের ফাঁসি দেওয়া হতে পারে ৷ মনে করা হচ্ছে দোষীদের তরফে একাধিক আইনি নিয়মের সুযোগ নিয়ে ফাঁসি পিছনোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ৷ লিগল রেমিডিজ এর নামে দেরি করে চলছে ৷ এটা কেবল দেরি করার চেষ্টা আর কিছু নয় ৷

দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট এই নিয়ে দু’বার মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ জারি করার পরও চার দোষীর ফাঁসি দু’বার পিছিয়ে গিয়েছে ৷

২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।বাসে থাকা ৬ জনের লালসার শিকার হন নির্ভয়া। প্রথমে মারধর-শ্লীলতাহানি। তারপর বাসের পিছনে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ। তারপর, নৃশংস অত্যাচার।৬ জনের মধ্যে একজন ছিল নাবালক। সেই-ই সবচেয়ে নৃশংস। বছর তেইশের নির্ভয়ার শরীরে এমনভাবে লোহার রড ঢুকিয়ে সে অত্যাচার চালায় যে পেটের ভিতরের ক্ষুদ্রান্ত্রের কিছু অংশ দেহের বাইরে বেরিয়ে আসে। ওই অবস্থাতেই চলন্ত বাস থেকে ছুঁড়ে ফেলা হয় নির্ভয়া ও তাঁর বন্ধুকে।

চোখের সামনে রক্তাক্ত তরুণীকে পড়ে থাকতে দেখেও ঘটনাটা কোন থানার আওতায়, তা নিয়ে কথা কাটাকাটি করেই প্রথম কয়েক ঘণ্টা পার করে দেয় রাতের দিল্লির টহলদার পুলিশ। শেষে অবশ্য পুলিশই নির্ভয়া ও তাঁর বন্ধুকে পৌঁছে দেয় সফদরজঙ্গ হাসপাতালে। টানা ১৩ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেন নির্ভয়া। শেষ পর্যন্ত আর পেরে ওঠেননি। ২৯ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

First published: February 5, 2020, 9:19 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर