মারপিটের পরই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়, কে এই বাগপতের 'চাচা'?

photo source twitter

মিম, ভিডিও ক্লিপ বের হচ্ছে তাঁর ছবি দিয়ে। তৈরি হচ্ছে gif-ও। Facebook, Instagram বা Twitter, তিনি বাদ যাচ্ছেন না কোথাও। কিন্তু কে এই চাচা?

  • Share this:

#লখনৌ: কয়েকদিন ধরেই ইন্টারনেটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক ঝাঁকড়া চুলের ব্যক্তি। এক ঝলক দেখলে মনে হতে পারে এ যেন থ্রি ইডিয়টস (Three Idiots)-এর সেই প্রফেসর, ছবিতে যাঁর নাম ছিল বীরু সহস্ত্রবুদ্ধে (Viru Sahastrabuddhe)। একাধিক মিম, ভিডিও ক্লিপ বের হচ্ছে তাঁর ছবি দিয়ে। তৈরি হচ্ছে gif-ও। Facebook, Instagram বা Twitter, তিনি বাদ যাচ্ছেন না কোথাও। কিন্তু কে এই ঝাঁকড়া চুলের ব্যক্তি? কেনই বা তিনি এত জনপ্রিয়?

এই গল্পের পিছনে রয়েছে আরেকটা গল্প। ওই ব্যক্তিকে সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা যায়। যা ভাইরাল হয় নেটদুনিয়ায়। যাতে দেখা যায়, রাস্তায় খুব মারপিট করছেন তিনি। এই ঘটনা সম্পর্কে পরে স্থানীয় প্রশাসন বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি বোঝা যায়।

সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের বাগপত জেলার বড়ৌত শহরের অতিথি ভবন বাজারের দু’টি খাবারের দোকানের মালিক এবং তাঁদের কর্মচারীদের মধ্যে মারামারি হয়। ওই ঘটনায় আহত হন ১২ জন। মারামারির জন্য ৮ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই মারামারির ভিডিওই ভাইরাল হয়। পরে ওই চাচাকে জেলে নিয়ে যাওয়া হয় কারণ তিনিও ওই মারপিটে যুক্ত ছিলেন। আর মারামারির সুবাদেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হন তিনি। চাচাকে নিয়ে মিমের বন্যা বইছে।

চাচা নামে যাঁকে ডাকা হচ্ছে তাঁর আসল নাম হরেন্দ্র। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর খাবারের দোকান ওই এলাকায় প্রায় ৪০ বছরের পুরনো। ওই বাজারের মধ্যে তাঁর প্রতিযোগী একটি দোকান রয়েছে। যেটা তেমন চলে না। কিন্তু সেই দোকানের কর্মচারীরা তাঁর দোকানের নামে উল্টোপাল্টা কথা বলে ক্রেতাদের। তিনি বলেন, ওরা খালি আমার ক্রেতাদের টানার চেষ্টা করে। বলে, আমার দোকানের খাবার আগের দিনের তৈরি। গত কয়েকদিনে চার থেকে পাঁচ বার এমন করেছে তারা।

এই নিয়েই ক'দিন আগে মারামারি হয়েছে ওই দুই দোকানের কর্মচারী ও মালিকের মধ্যে। ভিডিওতে দেখা যায়, লাঠি, রড নিয়ে একে অপরকে মারছে তারা। যাতে সক্রিয় ছিলেন হরেন্দ্রও। মাটিতে পড়ে গিয়েও মারামারি করতে দেখা যায় তাঁকে।

তার পরই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় আট জনকে। যার মধ্যে ছিলেন হরেন্দ্রও। জেলে নিয়ে গিয়ে তাদের ছবি তোলা হয়। সেই ছবিও নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়। অনেকেই বিভিন্ন মিমে সেই ছবি ব্যবহার করছেন।

Published by:Piya Banerjee
First published: