দেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

ডাক্তার হতে চেয়েছিল, দিল্লির হিংসা কেড়ে নিল প্রাণ ! শোকস্তব্দ এলাকা

ডাক্তার হতে চেয়েছিল, দিল্লির হিংসা কেড়ে নিল প্রাণ ! শোকস্তব্দ এলাকা

নিরীহ, নিস্পাপ কিশোরের এমন পরিণতি মানতে পারছেন না কেউই ৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সমস্ত রাস্তা গিয়ে আজ মিশেছে ইতমিনান আহমেদের বাড়ি ৷ উত্তর-পূর্ব দিল্লির ব্রহ্মপুরীতে শুনশান গোটা এলাকা ৷ বন্ধ সব দোকান, বন্ধ বাড়িরগুলোর জানলা দরজাও ৷ চারপাশে অদ্ভুত নিস্তব্ধতা ৷ মাঝে মাঝে সেই নিস্তব্ধতা ভেঙে শোনা যাচ্ছে বুকভাঙা হাহকার ৷ এলাকার একটি বাড়ির সামনেই ভেঙে পড়েছে গোটা পাড়া ৷বৃহস্পতিবার এমনই দৃশ্য ইতমিনানের বাড়ির সামনে ৷ প্রায় শখানেক লোকের জমায়েত ৷ যথেষ্ট সংখ্যায় মোতায়েন পুলিশও ৷ কিন্তু এসব আয়োজনই শুধুমাত্র একটি শবযাত্রার জন্য ৷

মেধাবী ছাত্র বছর পনেরোর কিশোর ইতমিনানের (নাম পরিবর্তিত) স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে ডাক্তার হবে ৷ কিন্তু মঙ্গলবার দুধ আনতে গিয়েই শেষ সব স্বপ্ন ৷ মঙ্গলবার সরাসরি মাথায় গুলি করা হয় ইতমিনান আহমেদকে ৷ সেদিন বিকেলে যখন সে বাড়ি থেকে বেরচ্ছিল তখনও বাড়ির লোক জানত না এর পর কী পরিণতি হতে চলেছে ৷ দুধ আনতে বেরিয়ে রাত অবধি ছেলে না ফেরায় বাড়ির লোক চিন্তায় পাগল পাগল ৷ অনেক জায়গায় খুঁজেও মেলে না হদিশ ৷ হঠাৎ এক অচেনা ব্যক্তি ফোন আসে আহমদের বাবা জানতে পারে সে হাসপাতালে ৷ যতক্ষণ বাড়ির লোক হাসপাতালে পৌঁছায় তখন সব শেষ ৷ রাত দুটোয় ডাক্তার ইতমিনানকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ৷

নিরীহ, নিস্পাপ কিশোরের এমন পরিণতি মানতে পারছেন না কেউই ৷ ইতমিনানের কাকা বলেন, ‘দিল্লি হিংসার দিন কী করে যে বাচ্চা ছেলেটা অশান্তির জায়গায় পৌঁছল বুঝতেই পারছি না ৷ ওর কী দোষ ছিল, সরাসরি মাথার খুলিতে গুলি করা হয়েছিল বাচ্চাটাকে ৷’ চোখের সামনে প্রাণবন্ত ছেলেটার এমন অবস্থা দেখে চোখের জল বাঁধ মানছে না কারোর ৷ কার দোষে ১৫ বছরের ছেলেটার প্রাণ গেল সেই প্রশ্ন এখন সকলের ৷ যাকে নিয়ে এত কথা সেই ইতমিনান বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে দুগজ মাটির নীচে নিশ্চিন্তে শুয়ে ৷ যার এখন সামনে বোর্ড পরীক্ষার প্রিপারেশন নেওয়ার কথা, মৃত্যু তাঁকে অসময়েই ঘুমের কাঠি ছুঁয়েই আচমকায় জীবনে টেনেছে দাড়ি ৷

Published by: Elina Datta
First published: February 28, 2020, 10:13 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर