• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • VETS EXTRACT 71KG OF WASTE INCLUDING PLASTIC NAILS FROM STRAY COWS STOMACH IN FARIDABAD TC RC

ফরিদাবাদে গরুর পেট থেকে প্লাস্টিক-সহ ৭১ কেজির বর্জ্য উদ্ধার!

ফরিদাবাদে গরুর পেট থেকে প্লাস্টিক-সহ ৭১ কেজির বর্জ্য উদ্ধার!

দেশের প্লাস্টিক দূষণ ও রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো গবাদি পশুর ক্রমবর্ধমান সমস্যাটি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

  • Share this:

#লখনউ: গর্ভবতী অবস্থায় গরুর পেট থেকে উদ্ধার হল প্লাস্টিক, নখ, মার্বেল-সহ প্রায় ৭১ কেজির বর্জ্য পদার্থ। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল, ইতিমধ্যেই মা ও সন্তান অর্থাৎ গরু-বাছুর দু'জনেরই মৃত্যু হয়েছে। ফরিদাবাদের এক পশুচিকিৎসক এই সার্জারি করেছেন। আর তার পর থেকেই দেশের প্লাস্টিক দূষণ ও রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো গবাদি পশুর ক্রমবর্ধমান সমস্যাটি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকের ঘটনা। এক পথ দুর্ঘটনার সময়ে ফরিদাবাদের অ্যানিম্যাল ট্রাস্টের তরফে ওই গরুটিকে উদ্ধার করা হয়েছিল। তড়িঘড়ি তাকে পশুচিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জানা যায় গরুটি গর্ভবতী। কিন্তু ভয়ঙ্কর কষ্ট পাচ্ছে। প্রায় চার ঘণ্টার একটি অপারেশন চলে। এমন সময় গরুর পেট থেকে প্লাস্টিক, নখ, মার্বেল ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ বেরোয়। শেষমেশ প্রি-ম্যাচিওর ডেলিভারির চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু অপর্যাপ্ত জায়গার জন্য ঠিক করে বেড়ে উঠতে পারেনি বাছুর। তাই সেখানেই তার মৃত্যু হয়। দিন তিনেক পর গরুটিরও মৃত্যু হয়। এমনই জানান অ্যানিম্যাল ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট রবি দুবে (Ravi Dubay)। তাঁর কথায়, ১৩ বছরের কেরিয়ারে কোনও গরুর পেট থেকে কোনও দিন এত পরিমাণ বর্জ্য বেরোয়নি। এর আগে হরিয়ানার একটি ঘটনায় প্রায় ৫০ কেজি বর্জ্য উদ্ধার করা হয়েছিল।

এই বিষয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের করুণা সোসাইটি ফর অ্যানিম্যালস অ্যান্ড নেচার (Karuna Society for Animals & Nature)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট রমুলা ডি সিলভা (Romula D’Silva) জানান, এটি একটি বড় সমস্যা। প্রতি বছর দেশের প্রতিটি শহরে এই প্লাস্টিকজাত বর্জ্য খেয়ে হাজার হাজার গরুর মৃত্যু হচ্ছে। প্রতি দিন রাস্তায় অগণিত গরু ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর এই দৃশ্য দেখলেই কষ্ট হয়। কারণ প্লাস্টিক পেটে যাওয়ার পর বড়ই কষ্টে মৃত্যু হয় এই অবলা প্রাণীগুলোর।

ডি সিলভার কথায়, বছর দশেক আগে করুণা সোসাইটি কেয়ারে (Karuna Society’s Care) হঠাৎই ৩৫টি গরু এসেছিল। এদের মধ্যে একজনের আচমকা মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত করে ওই গরুটির পাকস্থলী থেকে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য পাওয়া যায়। এর পর অন্য গরুগুলির সার্জারি করে তাদের পেট থেকেও প্লাস্টিক পাওয়া যায়। পরের দিকে প্রায় ৬০টি গরুর চিকিৎসা করা হয় সংস্থার তরফে।

প্রসঙ্গত, প্রতি বছর এই ভাবেই প্লাস্টিক ও নানা ধরনের বর্জ্য খেয়ে অসংখ্য গরুর মৃত্যু হয়। কিন্তু জাতীয় স্তরে এর কোনও তথ্য নেই। ২০১৭ সালে Times of India-এর একটি প্রতিবেদনে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছিল। সেখানে কয়েকজন পশুচিকিৎসক ও পশুকল্যাণ সংস্থার সমীক্ষা তুলে ধরা হয়েছিল। সেই সূত্রে জানা যায়, প্লাস্টিক খেয়ে প্রতি বছর লখনউয়ের উত্তরের শহর ফরিদাবাদে প্রায় ১,০০০টি গরুর মৃত্যু হয়।

শোভন চন্দ

First published: