• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • এই গ্রামে মানুষের দিন কাটে অনাহারে, নেই রেশন কার্ডও

এই গ্রামে মানুষের দিন কাটে অনাহারে, নেই রেশন কার্ডও

 ২০০৫ সালে যখন বড় ছেলের মৃত্যু হয়েছিল মনবরার বড় ছেলের মৃত্যু হয়েছিল তখন বাড়ির অবস্থা তেমন করুণ ছিলনা

২০০৫ সালে যখন বড় ছেলের মৃত্যু হয়েছিল মনবরার বড় ছেলের মৃত্যু হয়েছিল তখন বাড়ির অবস্থা তেমন করুণ ছিলনা

২০০৫ সালে যখন বড় ছেলের মৃত্যু হয়েছিল মনবরার বড় ছেলের মৃত্যু হয়েছিল তখন বাড়ির অবস্থা তেমন করুণ ছিলনা

  • Share this:
    #ঝাড়খণ্ড: ২০০৫ সালে যখন বড় ছেলের মৃত্যু হয়েছিল মনবরার বড় ছেলের মৃত্যু হয়েছিল তখন বাড়ির অবস্থা তেমন করুণ ছিলনা ৷ এখন বছর আটেকের এক সন্তানকে নিয়েই সংগ্রামের জীবন তাঁর ৷ বিনা বিধবা পেনশন ও রেশনে কাটছে জীবন এমন বড়ও ছেলে হয়নি ৷  তার যে এখন মোটে ৮ বছর বয়স ৷ যে উপার্যন করে সংসারের হাল ধরবে ৷ বাকিরা তো আরও ছোট ৷ Photo: Debayan Roy Photo: Debayan Roy বড় ছেলের মৃত্যুর ঠিক ১৩ বছর বাদে মনোবরা ঝাড়খণ্ডের পাকুড় জেলার চন্দ্রপাড়া গ্রামের এক ঝুপড়িতেই বসবাস তাঁর ৷ ৮ সন্তান নিয়ে সংগ্রামের জীবন তাঁর ৷ ছোট বাচ্চাদের সহায়তায় বিড়ি বেচেই দিন চলে তাঁদের ৷ পাঁজরের যন্ত্রণায় কাবু হয়েও পরিচারিকার কাজও আজ করতে পারেন না ৷ পারেন না কোথাও বা অস্থায়ী হিসাবে কোনও কাজে যোগ দিতে ৷ প্রতিদিন ২৫০ করে বিড়ি বাঁধেন তিনি ৷ যখন তাঁর সন্তানেরা বিড়ি না বিক্রি করতে পারেন তখন প্রতিবেশীদের থেকে খাবার চেয়ে বাঁচতে হয় তাঁদের ৷ এমনও দিন যায় তখন অনাহারে দিন কাটে ৷ ওই গ্রামের জনসংখ্যা প্রায় ৩,০০০ ৷ বেশির ভাগই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ, তাঁরা বাংলা ভাষায় কথা বলে থাকেন ৷  Photo: Debayan Roy Photo: Debayan Roy হয়রান হওয়ার মত বিষয় এত মানুষের বসবাস সত্ত্বেও গ্রামের অর্ধেকের মানুষই রেশন ব্যবস্থার আওতায় নেই ৷ নেই কারোর রেশন কার্ড ৷ প্রশাসনের সব মহলকে বিষয়টি বারবার জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি ৷ গ্রামবাসীদের দাবি ২০১১ জনগণনায় তাঁদের গণনার বাইরে রাখা হয়েছে বলেই এই অবস্থা হয়েছে ৷  Photo: Debayan Roy Photo: Debayan Roy প্রায় ১০০ মহিলা একত্রিত হয়ে দাবি করেছেন অনেকের কাছে আধার কার্ড থাকলেও নেই রেশন কার্ড ৷ পাশের গ্রামেই সমস্ত মানুষ রেশন ব্যবস্থার আওতায় আছেন ৷ গ্রামের বহু মানুষ প্রধানত বয়স্করা ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন যাপন করেন ৷ টাকা পয়সার অভাবে অনেক সময় রেশন কিনতে পারেন না তাঁরা ৷ স্থানীয় একটি মসজিদে একটি ফান্ড তৈরি করেছেন তাঁরা গ্রামের লোকেরা সেই ফান্ডে রাখা টাকা থেকে ৫ টাকা নিতে পারেন চাল, ডাল কেনার জন্য ৷ এ এক অদ্ভুত বিভাজন গ্রামের এক প্রান্তের মানু রেশন ব্যবস্থার সুবিধা পেয়ে থাকেন আর এক প্রান্তেরা মানুষেরা রেশন ব্যবস্থা শুধুই শুনেছেন দেখেননি ৷ সৌজন্যে : দেবায়ন রায়
    First published: