Sushmita Dev| ট্যুইটারে তৃণমূল নেত্রীর ছবি, এবার রাজ্যসভায় দেখা যাবে সুস্মিতা দেবকে?

ট্যুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছবি প্রোফাইল পিকচার করলেন সুস্মিতা দেব।

Sushmita Dev| লড়াকু নেত্রী হিসেবে তাঁর পরিচিতি রয়েছে। ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত অসমের শিলচর থেকে নির্বাচিত হয়ে লোকসভার সাংসদ ছিলেন তিনি। এই পাঁচ

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বদলে গেল সুস্মিতা দেবের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট। পুরনো পরিচয় ঝেড়ে ফেললেন সুস্মিতা।প্রোফাইল পিকচারও বদলালেন তিনি।এখন সুস্মিতার প্রোফাইল পিকচার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ছবি।সোমবারই কংগ্রেসকে আলবিদা জানিয়ে তৃণমূলে  যোগ দিলেন মহিলা কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভানেত্রী তথা অসমের শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেব। সুস্মিতার ফাইনাল ডেস্টিনেশান কি রাজ্য়সভা, এখন জল্পনা এই নিয়েই।

তিনি অসমের দিকপাল কংগ্রেস নেতা সন্তোষমোহন দেবের কন্যা। ২০১৪ সালে কংগ্রেসের টিকিটে শিলচর থেকে সংসদ হয়ে সবার নজর কেড়েছিলেন। লোকসভায় কংগ্রেসের "সাউটিং ব্রিগেড"-এর প্রায় সামনের সারিতে ছিলেন তিনি। নানা ইস্যুতে মোদি সরকারকে চেপে ধরতে কংগ্রেসের সংসদীয় রণনীতিকে সুচারুভাবে বাস্তবায়িত করেছেন অসমের এই কংগ্রেস নেত্রী। তিনি রাহুল গান্ধি এবং সোনিয়া গান্ধির বিশেষ ঘনিষ্ঠ নেত্রী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে হেরে যান তিনি। তার পরেও কিন্তু তাঁকে মহিলা কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভানেত্রী পদে তুলে আনেন রাহুল গান্ধিই। সেই সুস্মিতা এবার 'হাত' ছেড়ে 'জোড়া ফুল' ধরলেন।

মঙ্গলবার দুপুর একটায় দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন সুস্মিতা।উল্লেখ্য, গত রবিবার, ১৫ আগস্ট কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ ছাড়ার কথা জানান তিনি। তারপর আজ সোমবার উড়ে যান কলকাতায়। সেখানে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদেন। সোনিয়াকে লেখা চিঠিতে পথ প্রদর্শন ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন সুস্মিতা। তিনি লিখেছেন, ‘জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে তিন দশকের সম্পর্ক ছিল। যা আজ শেষ করছি। পাশে থাকার জন্য সতীর্থ ও দলের নেতা-মন্ত্রীদের ধন্যবাদ। তিন দশকের স্মৃতি আমি সারা জীবন মনে রাখব।’

এদিকে সুস্মিতার জল ছাড়ার খবর এর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খোলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কপিল সিবাল। টুইটারে তিনি লেখেন, "দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ছেড়ে দিলেন সুস্মিতা দেব। তরুণ নেতা-নেত্রীরা দল ছেড়ে দিচ্ছেন। আমাদের মত প্রবীনদের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে। আমরা দলকে শক্তিশালী করতে চাইছি। কিন্তু, শীর্ষ নেতৃত্ব চোখ বন্ধ করে রেখেছেন।" কংগ্রেসের অপর নেতা মণীশ তিওয়ারি টুইটারে লিখেছেন, "সুস্মিতা একসময় কংগ্রেসের স্টুডেন্ট'স ইউনিয়নের সভানেত্রী ছিলেন। হঠাৎ তিনি কেন দল ছাড়লেন কারণ উল্লেখ করা উচিত।"

প্রসঙ্গত, সুস্মিতা দেব কেন দল ছাড়লেন, সেকথা সোনিয়াকে লেখা চিঠিতে উল্লেখ করেননি।

-RAJIB CHAKRABORTY

Published by:Arka Deb
First published: