তফশিলি জাতি-উপজাতি সংশোধনী আইন বহাল রাখল শীর্ষ আদালত

তফশিলি জাতি-উপজাতি সংশোধনী আইন বহাল রাখল শীর্ষ আদালত
সংগৃহীত ছবি

তফশিলি জাতি-উপজাতি নির্যাতন রোধ আইন ২০১৮ বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: তফশিলি জাতি-উপজাতি নির্যাতন রোধ আইন ২০১৮ বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার এই নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালতের তিন সদস্যের বেঞ্চের বিচারপতি অরুণ মিশ্র, বিচারপতি বিনীত সরণ এবং বিচারপতি বরীন্দ্র ভাট।

তফশিলি জাতি-উপজাতির মানুষদের উপর নিগ্রহ বন্ধ করতে ১৯৮৯ সালে এই আইন তৈরি করে রাজীব গান্ধী সরকার। ২০১৫ সালে সেই আইনে সংশোধন হয়। সেখানে এই আইনকে আরও সক্রিয় করা হয়। উচ্চবর্ণের অনেকেই অনেক সময় তফশিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ের কারও মাথা বা গোঁফ কামিয়ে দেন, দলিত বলে অপমান করেন। সংশোধনীতে এই ধরণের বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলিকে জামিন অযোগ্য অপরাধের আওতায় আনা হয়।

তফসিলি জাতি-উপজাতি নির্যাতন রোধ আইন নিয়ে রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই সংক্রান্ত কোনও মামলা রুজু করার আগেই প্রাথমিক তদন্ত করতে হবে। এমনকী, প্রয়োজনে অভিযুক্তকে আগাম জামিনও দেওয়া যেতে পারে। ২০১৮ সালেও এই নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। সেই নির্দেশের পরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়ে দলিত সম্প্রদায়ের মানুষজন। হিংসাত্মক প্রতিবাদও হয়। এরপর রায় পর্যালোচনার জন্য ফের আবেদন জানানো হয় শীর্ষ আদালতে। দু’বছর বাদে সেই রায়ই বহাল রইল।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের অক্টোবরে তিন বিচারপতির বেঞ্চের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল সংশোধনী বহাল রাখা হতে পারে। ৩ বিচারপতি বলেছিলেন, আইনের কোনও বিধানই লঘু করা হবে না, বা বাদ দেওয়া হবে না। আইন যা ছিল তাই থাকবে। কারণ, ওই আইনের অপপ্রয়োগের অভিযোগ জানিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই সরব ছিল উচ্চবর্ণদের কয়েকটি সংগঠন। ওই আইনের ধারায় অভিযোগ দায়ের হওয়া কতগুলি মামলা শেষ পর্যন্ত ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়েছে আদালতে।

First published: February 10, 2020, 2:02 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर