• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • কারমেল স্কুলের অভিযুক্ত শিক্ষিকার সাসপেন্ডের দাবিতে ধর্নায় বসলেন অভিভাবকরা

কারমেল স্কুলের অভিযুক্ত শিক্ষিকার সাসপেন্ডের দাবিতে ধর্নায় বসলেন অভিভাবকরা

নিজস্ব চিত্র

নিজস্ব চিত্র

ক্লাস চলাকালিন শিক্ষিকার অনুমতিতে বাথুরুমে গিয়েছিল কেজি ওয়ানের শিশুকন্যা ৷

  • Share this:

    #দুর্গাপুর : ক্লাস চলাকালিন শিক্ষিকার অনুমতিতে বাথুরুমে গিয়েছিল কেজি ওয়ানের শিশুকন্যা ৷ কিন্তু ফিরতে সামান্য দেরি হওয়ার অপরাধে শিশুকন্যাকে লাঠি দিয়ে মারেন দুর্গাপুর কারমেল স্কুলের এক শিক্ষিকা ৷ মারের দাপটে ওই শিশুকন্যার কান থেকে রক্তপাত হতে শুরু করে ৷ এই ঘটনার পরই স্কুলের সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন উত্তেজিত অভিভাবকেরা ৷ ওই শিক্ষিকাকে সাসপেন্ড করার দাবিতে স্কুলের প্রিন্সিপালের ঘরের সামনে ধর্ণায় বসেন অভিভাবকেরা ৷

    স্কুল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত শিক্ষিকা ইতিমধ্যেই চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ৷ বৃহস্পতিবার সকালে অভিভাবকরা প্রিন্সিপালের সঙ্গে দেখা করতে চান। কিন্তু প্রিন্সিপাল শুধু ছাত্রীর মা-বাবার সঙ্গে দেখা করে জানান, অভিযুক্ত শিক্ষিকা চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ৷ পরে ছাত্রীর বাবা-মা ও কয়েকজন অভিভাবক স্কুলের ভিতরে গিয়ে প্রিন্সিপালের সঙ্গে দেখা করেন । তাঁদের ওইদিনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো হয় । কিন্তু ফুটেজে অভিযুক্ত শিক্ষিকাই মারধর করছেন কি না তা স্পষ্টভাবে বোঝা যায়নি । এরপরই অভিভাবকরা শিক্ষিকাকে সাসপেন্ড করার দাবি জানান । অভিভাবকদের এহেন দাবির পরই প্রিন্সিপাল জানান, অভিযুক্ত শিক্ষিকা ইস্তফা দিয়েছেন । তবে তাতে শান্ত হননি অভিভাবকরা । তাঁদের দাবি, ‘এই অভিযুক্ত শিক্ষিকা নিজে চাকরি থেকে ইস্তফা দেওয়ার অর্থ তাঁকে আপনারা আপনাদের ফুলঝোড়ে যে আরও একটি স্কুল আছে সেখানে পাঠাবেন। তাই ওই শিক্ষিকাকে সাসপেন্ড করুন।’ এই দাবিতে তারা প্রিন্সিপালের ঘরের সামনে ধর্ণায় বসেন।

    এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে স্কুলে আসে দুর্গাপুর থানার পুলিশ । ছাত্রীর মা-বাবা অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে সাসপেন্ড করার জন্য একটি ডেপুটেশন জমা দেন মহকুমা শাসক শঙ্খ সাঁতরার কাছে । মহকুমা শাসক ঘটনাটি খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন ।

    আগামী মঙ্গলবার স্কুলের প্রিন্সিপাল শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্রীর বাবা মাকে নিয়ে একটি মিটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ । এই রকম ঘটনা যেন ভবিষ্যতে আর না ঘটে তার দিকেও নজর রাখবেন বলে জানান তিনি ।

    First published: