Sovan Chatterjee: চিকিৎসায় অসহযোগিতা করেছেন শোভন, পাল্টা অভিযোগ এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের

শোভন চট্টাপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ খারিজ এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের৷

নারদ কাণ্ডে (Narada Scam) ধৃত শোভনকে (Sovan Chatterjee)গত সোমবার রাতে এসএসকেএম হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়{ তার পর থেকেই হাসপাতালের উডবার্ন ব্লকের ১০৬ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি৷

  • Share this:

#কলকাতা: এসএসকেএম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ অভিযোগ করা হয়েছিল, জোর করে হাসপাতালে রেখে দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মেয়রকে৷ যদিও এই অভিযোগ সরাসরি করে খারিজ করে পাল্টা শোভনের বিরুদ্ধেই চিকিৎসায় অসহযোগিতা করার অভিযোগ এনেছেন হাসপাতালের সুপার পীযূষ রায়৷

নারদ কাণ্ডে ধৃত শোভনকে গত সোমবার রাতে এসএসকেএম হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়{ তার পর থেকেই হাসপাতালের উডবার্ন ব্লকের ১০৬ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি৷

এ দিনই শোভন চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, জোর করে তাঁকে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে৷ তিনি সুস্থ হলেও তাঁকে ছাড়া হচ্ছে না৷ প্রতিবাদে গতকাল থেকে তিনি কিছু খাননি বলেও দাবি করেছেন শোভন৷ তাঁর অভিযোগ, অসুস্থতার অজুহাতে তাঁকে হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে৷ কিন্তু তিনি সুস্থ৷ একই অভিযোগ করেছেন শোভনের বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ তাঁরও অভিযোগ, কারও অঙ্গুলী হেলনেই হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরতে দেওয়া হচ্ছে না শোভনকে৷ নারদ কাণ্ডে ধৃত প্রাক্তন মেয়র আরও অভিযোহ করেন, রিস্ক বন্ডে সই করতে চাইলেও তাঁকে বাড়ি যেতে দিচ্ছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ যদিও এ দিন রাতেই রিস্ক বন্ডে সই করে হাসপাতাল ছাড়েন শোভন৷

একই সঙ্গে বৈশাখী অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ন্যূনতম চিকিৎসা হচ্ছে না শোভনের৷ এমন কি, গতকাল থেকে তাঁর সুগার- প্রেসারও পরীক্ষা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন বৈশাখী৷ তিনি আরও দাবি করেন, শোভনের সিরোসিস অফ লিভারের সমস্যা রয়েছে বলে মিথ্যে খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে৷ কারও অঙ্গুলী হেলনে চাপে পড়েই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এমনটা করছেন বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন বৈশাখী৷ শোভনও দাবি করেন, এনডোস্কপির মতো পরীক্ষা না করে কীভাবে বলা হচ্ছে তিনি সিরোসিস অফ লিভার-এর সমস্যায় ভুগছেন?

এসএসকেএম হাসপাতালের সুপার পীযূষ রায় অবশ্য চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন৷ তাঁর পাল্টা দাবি, চিকিৎসকদের সঙ্গে কোনওরকম সহযোগিতা করেননি শোভন৷ এমন কি, সুগার- প্রেসার মাপার মতো পরীক্ষাও করতে দেননি তিনি৷ আল্ট্রা সোনোগ্রাফি করার পরামর্শ দিলেও রাজি হননি শোভন৷ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বাকি দুই নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং মদন মিত্রের সঙ্গে শোভনের চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনও রকম বৈষম্য করা হয়নি৷

দিনভর নাটকের পর অবশ্য এ দিন রাতেই রিস্ক বন্ডে সই করে হাসপাতাল ছাড়েন৷ প্রথমে তাঁকে হাসপাতাল থেকে প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখান থেকেই গোলপার্কের ফ্ল্যাটে ফেরার কথা তাঁর৷ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো আপাতত গৃহবন্দিই থাকতে হবে শোভনকে৷

Avijit Chanda
Published by:Debamoy Ghosh
First published: