জনহীন রাজপথ, মধ্যরাতের নিস্তব্ধতা শহরজুড়ে

জনহীন রাজপথ, মধ্যরাতের নিস্তব্ধতা শহরজুড়ে

খাঁ খাঁ করছে শহরের লাইফ লাইন জি টি রোড। একটাও লোক নেই। মাঝে মাঝে নিস্তব্ধতাকে ভেঙে হুটার বাজিয়ে রোগী নিয়ে ছুটছে অ্যাম্বুলান্স।

  • Share this:

#বর্ধমান: অবশেষে সন্ধ্যায় শুনশান বর্ধমান। সন্ধ্যা সাতটাতেই মধ্যরাতের নিস্তব্ধতা শহর জুড়ে। ভারি যান সারাদিন শহরে ঢোকেনি। বেলা বাড়ার পর খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া চার চাকাও বেরয়নি। কমেছে মোটর সাইকেল চলাচলও। সকালে অতি উৎসাহীদের কেউ কেউ লক ডাউন দেখতে নানা ছুতোয় রাস্তায় নেমেছিলেন। অনেকে পুলিশের লাঠির ঘা খেয়ে বাড়ি ফেরেন। বিকেলের পর থেকেই পুরোপুরি লক ডাউন বর্ধমান।

সন্ধ্যা সাতটা। শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটে গিয়ে দেখা গেল স্তব্ধ চারপাশ। ফাঁকা পড়ে রয়েছে জি টি রোড। নিস্তব্ধতাকে সঙ্গী করে আলোকিত কার্জন গেট। সেই গেট দিয়ে ভেতরে ঢোকা বা বাইরে আসার কেউ নেই। কার্জন গেট থেকে সোজা যে রাস্তা চলে গিয়েছে রাজবাড়ি পর্যন্ত তার নাম বি সি রোড। এই রাস্তাকে বর্ধমানের গড়িয়াহাট বলা হয়। হকারদের ভিড়ের জন্যই এই নাম। চৈত্র সেলে এই রাস্তায় পা ফেলাই দায়। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লক ডাউনের জেরে জন হীন বর্ধমানের গড়িয়াহাট। দোকান বন্ধ। রাস্তার সামান্য আলো আঁধার ঘোচাতে অক্ষম।

খাঁ খাঁ করছে শহরের লাইফ লাইন জি টি রোড। একটাও লোক নেই। মাঝে মাঝে নিস্তব্ধতাকে ভেঙে হুটার বাজিয়ে রোগী নিয়ে  ছুটছে অ্যাম্বুলান্স। ইতিউতি ছুটছে পুলিশের জিপ। পেট্রল পাম্প খৌলা। মোটর সাইকেল আসছে মাঝেমধ্যে। আজ আর জ্বালানি ভরার তেমন তাগিদ নেই। সন্ধের পর অনেকে বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন। পাড়ার দোকানে টুকিটাকি প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে ঘরে ফিরেছেন তাঁরা। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বাসিন্দা যত বেশি সংখ্যায় ঘরে থাকবেন ততই মঙ্গল। আমরা করোনা ভাইরাসকে ততটাই দূরে সরিয়ে রাখতে পারবো। বাসিন্দাদের অনেকেই ঘরে থেকে সচেতনতার পরিচয় দিচ্ছে। জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানান, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অহেতুক অনেকে পথে বেরিয়েছিলেন। তাদের,অনেকেই আটক করে পুলিশ। নিজেদের প্রয়োজনেই গৃহবন্দি থাকা জরুরি এই বোধ সকলের মধ্যে জাগ্রত করতে পাড়ায় পাড়ায় অলিতে গলিতে পর্যন্ত মাইকিং করা হয়েছে।

First published: March 24, 2020, 8:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर