রাজমিস্ত্রী থেকে জইশ-এ-মহম্মদ, চিনে নিন আত্মঘাতী হামলার চক্রী আদিলকে

রাজমিস্ত্রী থেকে জইশ-এ-মহম্মদ, চিনে নিন আত্মঘাতী হামলার চক্রী আদিলকে

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: স্কুল থেকে পালিয়ে রাজমিস্ত্রীর কাজ। হঠাৎই জঙ্গি শিবিরে নাম লেখানো। তালিবানি শাসনের কট্টর সমর্থক হয়ে পড়া। আত্মঘাতী গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের প্রস্তুতি। আদিল আহমেদ দার ওরফে ওয়াকাসের নামই হয়ে যায়, গাড়ি টাকরানেওয়ালা। অমানববোমার বদলে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি। তাই অপারেশনের জন্য আদিলকেই দায়িত্ব দেয় জইশ-এ-মহম্মদ।

    গাড়ি ব্যবহার করে বিস্ফোরণের প্রশিক্ষণ নেওয়া ছিল। আফগানিস্থানে জঙ্গি শিবিরে এই প্রশিক্ষণের পর নতুন নাম হয় আদিল আহমেদ দারের। গাড়ি টকরানেওয়ালা নামেই তাকে চিনত অন্য জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো। একই সঙ্গে সামনে এল জইশ জঙ্গির তালিকান কানেকশন।

    জইশ-এ-মহম্মদের কট্টর জঙ্গি। তবে তালিবান জঙ্গিদের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখে চলত আদিল আহমেদ দার ওরফে ওয়াকাস। আফগানিস্থানে প্রশিক্ষণ পর্ব চলার সময়ই যা শুরু হয়

    - আফগানিস্থানে দু-দফায় প্রশিক্ষণ হয় আদিলের - গাড়ি বোমা নিয়ে হামলার প্রশিক্ষণ - এই ধরণের বিস্ফোরণে দক্ষ তালিবানরা - ইরাকের কয়েকটি জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে প্রশিক্ষণ হয়

    সম্ভবত এই কারণেই গাড়ি টকরানেওয়ালে নাম। বৃহস্পতিবার যেখানে বিস্ফোরণ হয়, তার মাত্র ১০ কিলোমিটারের মধ্যে জঙ্গি আদিলের বাড়ি। তাকে ভআলোমতো চেনেন, এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয়। বহুদিন ধরেই কট্টর মনোভাবের জন্য পরিচিত সে। তাই আদিল জঙ্গিগোষ্ঠীতে যোগ দেওয়ায় অবাক হননি প্রতিবেশিরা।

    - বন্ধুর দাদার মাধ্যমে জঙ্গি শিবিরে নাম লেখায় আদিল - ক্লাশ এইটে পড়াশোনা ছেড়ে রাজমিস্ত্রীর কাজ শুরু করে - ২০১৬ সালে একবার বাড়ি থেকে পালিয়েছিল - ২০১৮ সালে জইশের শিবিরে প্রশিক্ষণ শুরু হয় - আফগানিস্তানেও দু-দফায় প্রশিক্ষণ হয় - কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেয়

    নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, একটি জায়গাতেই গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা এজেন্সিকে ধোঁকা দিয়েছেন আদিল আহমেদ ওরফে ওয়াকাস। পুলওয়ামার এই যুবকের গতিবিধি সম্পর্কে কোনও তথ্যই ছিল না তাদের কাছে। আদিল যে তলে তলে এতবড় অপারেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাও স্বভাবতই বোঝা যায়নি।

    পুলওয়ামা হামলার পর আজমল কাসভ, সৈয়দ সালাউদ্দিন, জাকির মুসা, মাসুদ আজহারদের সঙ্গে একই সারিতে চলে এল পুলওয়ামার আদিল আহমেদ দার ওরফে ওয়াকাস।

    First published: