তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক দু'ধরনের স্পেসসুট, ফের চাঁদে মহাকাশচারী পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার

তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক দু'ধরনের স্পেসসুট, ফের চাঁদে মহাকাশচারী পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: দু'হাজার চব্বিশে চাঁদে ফের মহাকাশচারী পাঠানোর প্রস্তুতি নাসার। তার জন্য তৈরি করা হয়েছে অত্যাধুনিক দু'ধরনের স্পেসসুট। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে তারই ডিজাইন প্রকাশ্যে আনল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদে পা রেখেছিলেন মার্কিন মহাকাশচারী নিল আমস্ট্রং। সঙ্গী ছিলেন বাজ অ্যালড্রিন। পরের তেরো বছর নাসার অ্যাপোলো যানে চেপে চাঁদে পৌঁছেছিলেন আরও দশজন মার্কিন মহাকাশচারী। মাঝের পাঁচ দশকে অসংখ্য চন্দ্রাভিযান হয়েছে। কিন্তু চাঁদে আর মানুষ পাঠায়নি আমেরিকা।

চাঁদে ফিরতে চলেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। আর্টেমিস মিশনের মাধ্যমে, দু'হাজার চব্বিশ সালে চাঁদে মানুষ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নাসা। তবে নিল আমস্ট্রংয়ের জমানার পর অনেকটা সময় পেরিয়ে গিয়েছে। পালটেছে প্রযুক্তি। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়েই মহাকাশচারীদের জন্য অত্যাধুনিক দু'ধরনের স্পেটসুট তৈরি করেছে নাসা। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে স্পেসসুট দু'টি প্রকাশ্যে আনা হয়।

- অরেঞ্জ স্পেসসুটটি পরে পৃথিবী থেকে মহাকাশযানে চেপে চাঁদে পৌঁছবেন মহাকাশচারীরা

- চাঁদে নেমে কাজ করার জন্য তৈরি হয়েছে অত্যাধুনিক দ্বিতীয় স্পেসসুটটি

- নাম এক্সপ্লোরেশন এক্সট্রাভেহিকুলার মোবিলিটি ইউনিট বা এক্স-ইএমইউ

মহাকাশবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, নিল আমস্ট্রংয়ের স্পেসসুটের চেয়ে এই এক্স-ইএমইউ প্রায় সবদিক থেকেই আলাদা। চাঁদের ধুলিকণা, তাপমাত্রার হেরফের সবই অনায়াসে সামলাতে পারবে এক্স-ইএমইউ। আপাতত আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে থাকা মহাকাশচারীদের এই সুটগুলো পরিয়ে পরীক্ষা করা হবে। তারপর প্রয়োজনীয় অদল-বদল ঘটিয়ে, ২০২৪ সালে চাঁদে ব্যবহার করা হবে স্পেসসুটগুলি। তবে শুধু চাঁদ নয়। নাসার নজর মঙ্গলেও। আগামী দিনে লালগ্রহেও মানুষ পাঠাতে চায় মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এক্স-ইএমইউ-এর সাহায্যে সেদিকেও এক পা বাড়িয়ে রাখতে চায় নাসা।

First published: 07:39:55 PM Oct 17, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर