corona virus btn
corona virus btn
Loading

এবার শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান ফেরানোর দাবি, ইদগাহ সরাতে মথুরায় মামলা

এবার শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান ফেরানোর দাবি, ইদগাহ সরাতে মথুরায় মামলা
Photo-File

উত্তর প্রদেশের সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড এবং শাহি ইদগাহ ট্রাস্টের ম্যানেজমেন্ট কমিটিকেও এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে৷

  • Share this:
#নয়াদিল্লি: এবার মথুরায় শ্রীকৃষ্ণের মন্দির চত্বরের পাশ থেকে ইদগাহ সরিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে দায়ের হল মামলা৷ মথুরার সিনিয়র ডিভিশন সিভিল জাজের কোর্টে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমানের তরফে এই মামলাটি দায়ের করেছেন রঞ্জনা অগ্নিহোত্রি নামে লখনউয়ের এক বাসিন্দা৷

উত্তরপ্রদেশের সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড এবং শাহি ইদগাহ ট্রাস্টের ম্যানেজমেন্ট কমিটিকেও এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে৷ শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থানে অবস্থিত মন্দির চত্বরের ১৩.৩৭ একর জমি পুনরুদ্ধারের জন্য এই মামলায় দাবি জানানো হয়েছে৷

মামলাকারীর অভিযোগ, শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান ট্রাস্টের অধীনে থাকা জমি জবরদখল করে কয়েকজন মুসিলেমর সাহায্যে সেখানে একটি কাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে৷ আরও দাবি করা হয়েছে, ওই কাঠামোর নীচেই শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান রয়েছে, যা মন্দিরের ট্রাস্ট দেখাশোনা করত৷

মামলাকারীর তরফে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, মন্দির পরিচালনার দায়িত্বে থাকা শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংস্থান বিতর্কিত ওই সম্পত্তি দখল করার জন্য ইদগাহ ট্রাস্টের সঙ্গে বেআইনি সমঝোতা করেছিল৷ মামলার হলফনামায় বলা হয়েছে, 'শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংস্থান মন্দির এবং ভক্তদের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে ১৯৬৮ সালে মসজিদ ইদগাহ ম্যানেজমেন্ট কমিটি ট্রাস্টের সঙ্গে বেআইনিভাবে আপোস করে৷ যার ফলে মন্দিরের সম্পত্তির একটা বড় অংশ হাতছাড়া হয়৷' ১৯৭৩ সালের ২০ জুলাই এই সংক্রান্ত এই মামলায় রায়ও দিয়েছিল মথুরার ফৌজদারি বিচারক৷ নতুন মামলায় সেই রায় বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে৷

যদিও ১৯৯১ সালে পাশ হওয়া ধর্মীয় স্থানের আইনে (স্পেশাল প্রভিশন অ্যাক্ট) অনুযায়ী কোনও মন্দিরকে মসজিদে বদলে বা উল্টোটা করাও নিষিদ্ধ৷ একমাত্র অযোধ্যার রাম জন্মভূমির বিতর্কিত জমিটিকে এই আইনের বাইরে রাখা হয়েছিল৷ অযোধ্যা মামলার রায় দেওয়ার সময়ও এই আইনের উল্লেখ করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা৷ একই সঙ্গে তাঁরা জানিয়ে দিয়েছিলেন, অযোধ্যার রাম জন্মভূমির উদাহরণ দিয়ে অন্য কোনও মামলা গ্রহণ করা যাবে না৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: September 26, 2020, 2:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर