corona virus btn
corona virus btn
Loading

জ্যোতিষ মত থেকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, মোমবাতি নিয়ে গুজব রুখতে ব্যাখ্যা কেন্দ্রের

জ্যোতিষ মত থেকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, মোমবাতি নিয়ে গুজব রুখতে ব্যাখ্যা কেন্দ্রের
নরেন্দ্র মোদি৷ PHOTO- FILE

শুক্রবার সকালে ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর এই আবেদনের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বিভিন্ন রকমের ব্যাখ্যা শুরু হয়৷

  • Share this:
 

#নয়াদিল্লি: আগামী ৫ এপ্রিল রাত ৯টা থেকে ৯ মিনিটের জন্য সমস্ত বৈদ্যুতিন আলো নিভিয়ে দিয়ে তার বদলে মোমবাতি, প্রদীপ বা টর্চ জ্বালানোর আবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশ যে একজোট, সেই বার্তা দিতেই শুক্রবার সকালে দেশবাসীর কাছে এই আবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী৷

নরেন্দ্র মোদির এই আবেদনকে বহু মানুষ যেমন স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন জানিয়েছেন, সেরকমই অনেকে এর কোনও যৌক্তকতা খুঁজে পাননি৷ কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কেন হঠাৎ আলো নিভিয়ে দিয়ে মোমবাতি বা প্রদীপ জ্বালানোর বার্তা দিলেন, তার নানারকম কল্পনাপ্রসূত ব্যাখ্যা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ যে সমস্ত ব্যাখ্যার কোনও বাস্তবতা বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই৷ একসময়ে তা এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো-র তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয় শুক্রবার সন্ধ্যায়৷

সেই বিবৃতিতে স্পষ্ট জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর আবেদনের ব্যাখ্যা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে সমস্ত গুজব এবং অপব্যাখ্যা চলছে, তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন৷ এই সমস্ত মেসেজে বিশ্বাস না করার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানানো হয়৷ পাশাপাশি পিআইবি-র টুইটারে স্পষ্ট লেখা হয়, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াইয়ের জন্য আত্মবিশ্বাস জোগাতে এবং পাশে থাকার বার্তা দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷ একই সঙ্গে যে প্রধানমন্ত্রীর আবেদনের অপব্যাখ্যা করে যে ভুয়ো মেসেজগুলি ছড়িয়ে পড়েছিল, তার কিছু স্ক্রিনশটও দিয়েছে পিআইবি৷

শুক্রবার সকালে ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর এই আবেদনের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বিভিন্ন রকমের ব্যাখ্যা শুরু হয়৷ দ্রুত সেই মেসেজগুলি ফরওয়ার্ড হতে শুরু করে৷ তার মধ্যে অনেক মেসেজে দাবি করা হচ্ছিল যে, তাপমাত্রা বেড়ে গেল করোনা জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়৷ তাই একসঙ্গে অনেক মোমবাতি এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে চারপাশের তাপমাত্রা বাড়িয়ে করোনা জীবাণু ধ্বংস করার জন্য এমন আবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ অনেকে আবার এর সঙ্গে রাহু-কেতুর এবং নক্ষত্রের অবস্থানের যোগ খুঁজে পেয়েছিলেন৷ কিন্তু এর সবই যে মনগড়া মত এবং ভুয়ো ব্যাখ্যা, তা জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকার৷

First published: April 4, 2020, 12:17 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर