দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

পড়াশোনা নিয়ে বাবা-মায়ের বকাবকি, বাড়ি থেকে দেড় লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে গোয়ায় পার্টি করল ছেলে!

পড়াশোনা নিয়ে বাবা-মায়ের বকাবকি, বাড়ি থেকে দেড় লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে গোয়ায় পার্টি করল ছেলে!

মাঝে পুণে এসে, সে একটি সিম কার্ডও কেনে। যা লাগিয়ে নেয় কাছে থাকা সেলফোনে।

  • Share this:

#ভদোদরা: পড়াশোনায় মন নেই ছেলের। তাই তাকে বকাঝকা দিয়েছিলেন বাবা-মা। মন দিয়ে পড়ার পরমর্শও দিয়েছিলেন। যেমনটা সব বাবা-মা'ই করে থাকেন। কিন্তু কোথায় কী, সে সব কথায় না দিয়ে উল্টে টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় বছর ১৪-র কিশোর। এক-দু'টাকা নয়, দেড় লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে গোয়ায় গিয়ে পার্টি করে সে। পরে পুলিশের হাতে ধরা পড়ায় তাকে বাড়ি ফেরানো হয়।

গুজরাতের ভদোদরার ওই কিশোর ক্লাস টেনের ছাত্র। সামনেই বোর্ড পরীক্ষা। কিন্তু পড়াশোনায় মন নেই। যা নজরে আসে তার বাবা-মা'র। তাঁরা ছেলেকে একটু বকেন। কিন্তু ছেলে তাঁদের কথা শোনার বদলে পার্টি করতে চলে যায়। তার বাবা-মা'র অভিযোগ, সে সঙ্গে দেড় লক্ষ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে পালায়। এর পর গোয়ায় গিয়ে বিভিন্ন নাইট ক্লাবে, রেস্তোরাঁয় সেই টাকা খরচ করে সে।

কিন্তু কী ভাবে গোয়া পৌঁছয় সে? পুলিশের অনুমান, রাস্তাঘাট হয় তো আগেই জেনে নিয়েছিল ওই কিশোর। তাই সোজা ভদোদরা থেকে ট্রেনে গোয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করে সে। কিন্তু তার কাছে আধার কার্ড না থাকায়, ট্রেনের টিকিট কিনতে পারে না। ট্রেনের যাওয়ার প্ল্যান ভেস্তে যায়।

কিন্তু তাতে কী? ট্রেন পথ বন্ধ হলেও খোলা ছিল বাস। তাই ভদোদরা থেকে একটি বাসে চেপে সে প্রথমে পুণে যায়। সেখানে থেকে আরেকটি বাসে করে গোয়া। ব্যস, নাইট ক্লাব, সুইমিং, রেস্তোরাঁয় ইচ্ছে মতো খরচ করে চলে সে। চলে পার্টি। গোয়ায় কয়েক দিন এ ভাবে দিন কাটানোর পর যখন টাকা ফুরিয়ে আসতে থাকে, তখন সে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করে। এবং ঠিক যে ভাবে গোয়া গিয়েছিল সে পথেই ফেরে।

মাঝে পুণে এসে, সে একটি সিম কার্ডও কেনে। যা লাগিয়ে নেয় কাছে থাকা সেলফোনে। এর পর ফোনটি ব্যবহার করে সে ট্র্যাভেল এজেন্টের অফিসে যায় গুজরাতের ফেরার টিকিট বুক করবে বলে।

অন্য দিকে, ফোন অন করার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ট্র্যাক করতে পারে পুলিশ। যতক্ষণে সে ট্র্যাভেল এজেন্টের অফিসে পৌঁছয়, ততক্ষণে তার ফোন ট্র্যাক করে পুণে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভদোদরা পুলিশ। পুণে পুলিশ খোঁজ করে ওই ট্র্যাভেল এজেন্টের অফিসে গিয়ে ২৫ ডিসেম্বর অর্থাৎ শুক্রবার তাকে ধরে ফেলে। সেখান থেকে ভদোদরায় তার বাবা-মা'র হাতে তাকে তুলে দেওয়া হয় ২৬ তারিখ।

Published by: Pooja Basu
First published: December 30, 2020, 11:35 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर