• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • সেনা থেকে ISI চর, মহম্মদ আখতারের পরিচয় ফাঁস !

সেনা থেকে ISI চর, মহম্মদ আখতারের পরিচয় ফাঁস !

ভিসা দফতরে কাজ। তার মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ। সেই সুযোগে গত দেড় বছরে গুপ্তচরদের মডিউল গড়ে

ভিসা দফতরে কাজ। তার মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ। সেই সুযোগে গত দেড় বছরে গুপ্তচরদের মডিউল গড়ে

ভিসা দফতরে কাজ। তার মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ। সেই সুযোগে গত দেড় বছরে গুপ্তচরদের মডিউল গড়ে

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ভিসা দফতরে কাজ। তার মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ। সেই সুযোগে গত দেড় বছরে গুপ্তচরদের মডিউল গড়ে তুলেছিল মহম্মদ আখতার। নয়াদিল্লির, দাবি, জেনেবুঝেই বালুচ রেজিমেন্টের এই হাবিলদারকে ভারতীয় হাই কমিশনে নিয়োগ করা হয়েছিল। প্রথামাফিক ভারতের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তান।

    ঘটনায় নাম জড়িয়েছে পাক হাই কমিশনের ভিসা বিভাগের কর্মী মহম্মদ আখতারের। কে এই মহম্মদ আখতার?

    কে মহম্মদ আখতার? একসময় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর ৪০ বালুচ রেজিমেন্টের হাবিলদার ছিল মহম্মদ আখতার। ৩ বছর আগে ISI তাকে প্রশিক্ষণ দেয়। ২.৬ বছর আগে তাকে ভারতীয় পাক হাই কমিশনের ভিসা বিভাগে নিয়োগ করা হয়। এই বিভাগে কাজ করার সুযোগে সে গড়ে তোলে মডিউল।

    পাক গুপ্তচরদের এই মডিউলটির খানিকটা জালে পুরতে পেরেছেন গোয়েন্দারা।

    কীভাবে মডিউল? আখতারের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠে যোধপুরের ভিসা এজেন্ট শোয়েবের। তার হাত ধরেই চরবৃত্তিতে আসে দিল্লির নাগাওয়াড়ার বাসিন্দা মওলানা রমজান খান ওরফে হজরত। মসজিদে নমাজ পড়াত রমজান। মসজিদের পাশেই দোকান ছিল সুভাষ জাহাঙ্গিরের। টাকার লোভে মওলানার সঙ্গে জুটে যায় সুভাষও। গত ১.৬ বছর ধরে চলছিল এই মডিউল।

    ধৃত মওলানা রমজান খান ও সুভাষ জাহাঙ্গিরের থেকে বহু তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা।

    কী কী পাচার হত? গুজরাটের সীমান্তের সীমান্তের কোন বর্ডার আউট পোস্টে কত বাহিনী আছে তা চরদের জানা। কোথায় কখন ডিউটি বদল হয় তাও নখদর্পণে। কোন জওয়ান ছুটিতে, কে বদলি হয়েছেন, কে VRS নিয়েছেন বা কে অবসর নিয়েছেন তাও জানা। ধৃতদের থেকে সেনাবাহিনী ও ভিসা সংক্রান্ত বহু নথি মিলেছে। মহম্মদ আখতারের সঙ্গে মাসে একবার দেখা করত চররা। চিড়িয়াখানা বা অন্যান্য পর্যটন স্থানে দেখা হত। ভিড়ের মধ্যে তুলে দিল নথি। বদলে পেত ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু, গোয়েন্দাদের এড়াতে পারেনি তারা।

    আখতারের দাবি বিপদে পড়তেই প্রথমে নিজেকে মেহবুব রাজপুত বলে দাবি করে মহম্মদ আখতার। দেখান আধার কার্ড। তাতে চাঁদনি চক, লালকুয়া ঠিকানা লেখা। গ্রেফতারের ভয়ে কূটনৈতিক রক্ষাকবচের কথা বলেন। তখন ফাঁস হয় পরিচয়।

    এই মডিউল যে আরও লম্বা তার আভাস পেয়েছেন গোয়েন্দারা। চলছে বাকিদের খোঁজ।

    First published: