corona virus btn
corona virus btn
Loading

সর্দারদের নিয়ে জোকস কী তাহলে এবার বন্ধ ?

সর্দারদের নিয়ে জোকস কী তাহলে এবার বন্ধ ?

নির্ভেজাল মজা থেকে কোর্ট কেস ৷ পাঞ্জাবিদের নিয়ে প্রচলিত জোকস বা মজার জেরে জেরবার খোদ পাঞ্জাবি সম্প্রদায় ৷ সান্তা-বান্তা, সর্দারজি, পাঞ্জাবি ট্যাক্সি ড্রাইভারদের নিয়ে মজা আর সহ্য করতে না পেরে আদালতের দ্বারস্থ হন এক ক্রুদ্ধ পাঞ্জাবি ভদ্রলোক ৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: নির্ভেজাল মজা থেকে কোর্ট কেস ৷ পাঞ্জাবিদের নিয়ে প্রচলিত জোকস বা মজার জেরে জেরবার খোদ পাঞ্জাবি সম্প্রদায় ৷ সান্তা-বান্তা, সর্দারজি, পাঞ্জাবি ট্যাক্সি ড্রাইভারদের নিয়ে মজা আর সহ্য করতে না পেরে আদালতের দ্বারস্থ হন এক ক্রুদ্ধ পাঞ্জাবি ভদ্রলোক ৷ নাম হরবিন্দর চৌধুরী ৷ গত বছরের ডিসেম্বরে পাঞ্জাবি জোকসে ব্যান চেয়ে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন এই ব্যক্তি ৷ সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি রয়েছে ৷

হরবিন্দরজীর দাবি ছিল, এই ধরনের জোকসে সর্দারদের অত্যন্ত বোকা ও বুদ্ধিহীন সম্প্রদায় বলে পরিবেশন করা হয়, যা শিখদের জন্য অত্যন্ত অপমানজনক ৷ হরবিন্দর চৌধুরীর দাবির সমর্থনে এগিয়ে আসে দিল্লি শিখ গুরদ্বার ম্যানেজমেন্ট কমিটি, মিনি-পার্লামেন্ট অফ শিখ, শিরোমণি গুরদ্বার প্রবন্ধক কমিটি ৷ সুপ্রিম কোর্টে সর্দার জোকস ব্যান করার আবেদন জানানো হয় ৷

গোটা বিশ্বে যত জোকস আছে, তার মধ্যে ৮০ শতাংশ শুধুই সর্দারজীদের নিয়ে তৈরি ৷ একটি সমীক্ষার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু পাঞ্জাবিদের উপর জোকস নিয়ে অনলাইনে প্রায় ৫০০০ -এর উপর ওয়েবসাইট রয়েছে ৷

সর্দার জোকস নিয়ে এই ধরনের আপত্তি-অভিযোগ সরাসরি দিল্লিতেই প্রথম প্রকাশ্যে আসে ৷ এর আগেও বিভিন্ন সময়ে পাঞ্জাবিদের নিয়ে জোকস বা মজা করা নিয়ে ঝামেলার কারণে থানা পুলিশের বহু উদাহরণ রয়েছে ৷ বিশেষত মুম্বইতে সান্তা-বান্তার জোকস বলা নিয়ে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে হাতাহাতি ও ঝামেলার বহু অভিযোগ থানায় জমা পড়েছে ৷

২০০৭ সালে মার্চ মাসে সান্তা-বান্তার জোকসের বই প্রকাশ নিয়ে মোহিন্দর নানক সিং কক্কর নামে এক শিখ ব্যবসায়ী, মুম্বইয়ের বাসিন্দা পেশায় পাবলিশার রঞ্জিত পরান্দের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ৷ ওই ব্যবসায়ীর অভিযোগ ছিল, বইটিতে শিখ সম্প্রদায়ের নিয়ে অপমানজনক জোকস লেখা হয়েছে ৷ যা মেনে নেওয়া সম্ভব নয় ৷

শিখ জোকসে ব্যান চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানানো হরবিন্দর চৌধুরীর আক্ষেপ, এক সম্প্রদায়কে লাগাতার টার্গেট করে মজা করা হলেও এর বিরুদ্ধে কোনও সুস্থ বিবেচনাবোধ সম্পন্ন বুদ্ধিজীবীরা কখনই প্রতিবাদ জানান না ৷ একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষকে জোকার সাজিয়ে মানুষ কী করে মজা পেতে পারে সেই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর সম্প্রদায়ভুক্ত বহু মানুষ ৷ তাদের আবেদনে আদালত সাড়া দেন কী না এখন সেটাই দেখার ৷

First published: August 29, 2016, 11:53 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर