Home /News /national /
Nashik River : ঝুঁকির স্কুলযাত্রা ! নদীতে গলা পর্যন্ত ডুবে গিয়ে সন্তানকে বড় পাত্রে বসিয়ে স্কুলে পৌঁছে দিচ্ছেন অভিভাবকরা, দেখুন ভিডিও

Nashik River : ঝুঁকির স্কুলযাত্রা ! নদীতে গলা পর্যন্ত ডুবে গিয়ে সন্তানকে বড় পাত্রে বসিয়ে স্কুলে পৌঁছে দিচ্ছেন অভিভাবকরা, দেখুন ভিডিও

ঝুঁকির স্কুলযাত্রা

ঝুঁকির স্কুলযাত্রা

Nashik River : প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পড়ুয়াদের পারাপার৷ কারণ নদীর উপরে একটা সেতু পর্যন্ত নেই

  • Share this:

    নাসিক : অনুপস্থিত বাতানুকূল বাস অথবা পুলকার৷ পরিবর্তে আছে বিশালাকায় কড়াই, গামলা বা ডেকচি৷ অথবা বাবার কাঁধ৷ তাতে বসেই স্কুলের পথে পড়ুয়ারা ৷ কারণ খরস্রোতা নদী এভাবেই পেরিয়ে পড়ুয়াদের রোজ স্কুলে যেতে হয় ৷ এ ছবি মহারাষ্ট্রের নাসিকের পেঠ তালুকে ৷ বর্ষায় সাম্প্রতিক প্রবল বর্ষণে ওই নদী এখন ফুলে ফেঁপে বয়ে যাচ্ছে৷ তার মধ্যে দিয়েই প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পড়ুয়াদের পারাপার৷ কারণ নদীর উপরে একটা সেতু পর্যন্ত নেই৷( Nashik Over flooded River)

    সম্প্রতি এই ঝুঁকির পারাপার সামাজিক মাধ্যমে ট্যুইট করেছে এক সংবাদ সংস্থা৷ ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়ে পড়েছে সেই ট্যুইট৷ নেটিজেনদের প্রশ্ন, খুদে পড়ুয়াদের কথা ভেবে একটা সেতু বানিয়ে দেওয়া যায়নি কেন? স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ‘‘নদী এখানে গভীর৷ কিন্তু পড়ুয়াদের স্কুলে তো যেতে হবে৷ তাই আমরা তাদের কাঁধে বা বড় পাত্রে চাপিয়ে স্কুলে নিয়ে যাই৷’’ নদীর উপরে একটা সেতুর জন্য প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা ৷

    আরও পড়ুন :  ৬ বছরের বোনের হাত ধরে আছে ১১ বছর বয়সি দিদি, বাড়ির ভগ্নস্তূপ থেকে উদ্ধার ধসে পিষ্ট দুই বালিকার দেহ

    এই মরশুমে প্রবল বর্ষণে ভেসে গিয়েছে রায়গড়, পালঘর, নাসিক, পুণা, সাতারা, কোলাপুর-সহ মহারাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ অংশ৷ বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতাও জারি করা হয়েছিল মুম্বই, ঠানে, গড়চিরোলি, চন্দ্রপুর, রত্নগিরি, সিন্ধুদুর্গ, নন্দুরবার ও অন্যান্য এলাকায়৷

    আরও পড়ুন :  সাফাইকর্মী থেকে এসবিআইয়ের শীর্ষ পদে! প্রতীক্ষার জীবনের গল্প হার মানায় ছবির চিত্রনাট্যকেও

    তবে শুধু নাসিক নয় ৷ প্রতি বছর বর্ষাকালে এই একই ছবি দেখা যায় ওড়িশার সম্বলপুরে রাধাখোল ব্লকেও৷ এখানেও প্রতি বছর বৃষ্টির মরশুমে স্থানীয় পড়ুয়াদের জলোস্ফীত হরিহর নদ পেরিয়ে প্রাণ হাতে করে স্কুলে পৌঁছতে হয় ৷ এই নদী দুকূল ছাপিয়ে বয়ে যাওয়ার ফলে ভেঙে পড়ে সব যোগাযোগ ব্যবস্থা৷ ফলস্বরূপ সন্তানদের স্কুলে বা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অভিভাবকদেরই প্রায় গলা পর্যন্ত ডুবে নদী পার হতে হয় ৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published:

    Tags: Flood, Maharashtra, Nashik

    পরবর্তী খবর