corona virus btn
corona virus btn
Loading

JNU বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এবার থেকে রাখা থাকবে আর্মি ট্যাঙ্ক, কারণটা জানেন?

JNU বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এবার থেকে রাখা থাকবে আর্মি ট্যাঙ্ক, কারণটা জানেন?

JNU বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এবার থেকে রাখা থাকবে আর্মি ট্যাঙ্ক, কারণটা জানেন?

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ট্যাঙ্ক? তাও আবার জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তুলতে? মোদি প্রশাসনের কাছে এমনই অনুরোধ জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের। বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের কার্গিল দিবস পালনের মধ্যেই উপাচার্যের এই নিদান। প্রতিষ্ঠান বিরোধীতা আর প্রতিবাদের আঁতুড়ঘর হিসাবেই যার পরিচিতি, সেখানে ট্যাঙ্ক দিয়ে জাতীয়তাবোধ জাগানো কেন? দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গেরুয়া উপস্থিতির আরও এক মরিয়া চেষ্টা ৷

১৯৪৫ সালে শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানে আসা বাধ্যতামূলক করার প্রতিবাদে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ছেড়েছিলেন ব্রিটিশ কবি। প্রশ্ন তুলেছিলেন,শ্রদ্ধাটা তো নিজের ব্যাপার। এমন করে চাপিয়ে দেওয়া যায় নাকি? একই প্রশ্ন তুলে আরও একবার বিক্ষোভে ফেটে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে জেএনইউ। উপাচার্যের আজব সিদ্ধান্তে এমনটা অবশ্য প্রত্যাশিতই ছিল?

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন ক্যাম্পাসের সামনেই ট্যাঙ্ক রাখার প্রস্তাব উপাচার্যের
কার্গিল দিবসের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছেই প্রস্তাব উপাচার্যের সকলের যাতে চোখে পড়ে , তাই সেন্ট্রাল হলের সামনেই রাখা থাকবে ট্যাঙ্ক দাবি পড়ুয়া-অতিথি-অধ্যাপক - সবাই মধ্যেই জাতীয়তাবোধ তৈরি হবে ৷ ট্যাঙ্ক এনে বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবোধ জাগানো? এমন অদ্ভুত তত্ত্ব কিভাবে আমদানি করলেন উপাচার্য? সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন ৷ উপাচার্যের ট্যাঙ্ক আনার আবদার, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের এনে কার্গিল দিবস পালন - আরএসএস পন্থী সংগঠনকে সেমিনার করার অনুমতি - এসব কিছু নিয়েই দানা বাঁধছে ক্ষোভ।

দেশবিরোধী স্লোগান, কানহাইয়া কুমার - জেএনইউ শক্তি বাড়াতে কম চেষ্টা গেরুয়া শিবির করেনি বলেই অভিযোগ। সাফল্য আসেনি বলেই কি এবার নতুন কৌশল কিনা প্রশ্ন তা নিয়েও। আর ২০১৬ সালের মত এবারও কেন্দ্র ও উপাচার্যের গোপন সমঝোতার অভিযোগে সরব পড়ুয়ারা।

প্রতিবাদ আর আন্দোলনের আঁতুড়ঘর। দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ও বটে। সরকারের নীতি নিয়ে প্রশ্ন - বিতর্ক - সরকারি নীতিকে চ্যালেঞ্জ করা এসবই যেন জেএনইউ-র অন্য নাম। সীতারাম ইয়েচুরি থেকে দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, স্ট্যালিন, সইলা রশিদ, কানহাইয়া কুমারদের মতো ছাত্রনেতাদের উত্থান এখানে থেকে। সঞ্জীব কুমার, রাম উপাধ্যায়, অময় সিরা, বিক্রম বাত্রার মতোর কার্গিল শহীদরাও বেরিয়েছেন জেএনইউ থেকেই। রয়েছে আরও অনেক নাম। তারপরও জাতীয়তাবোধ জাগাতে ট্যাঙ্কের প্রয়োজন?
First published: July 25, 2017, 2:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर