Citizenship Amendment Bill: ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব কেন? সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুসলিম সংগঠন

Citizenship Amendment Bill: ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব কেন? সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুসলিম সংগঠন
সুপ্রিম কোর্ট
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সকাল সকাল কংগ্রেস সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম একটি ট্যুইট করেছেন৷ তিনি লিখছেন, 'বিলের ভাগ্য নির্ণয় সুপ্রিম কোর্টেই৷' নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে, এই জল্পনার আবহেই বিলটিকে মামলার ফাঁসে ফেলে দিল ভারতের ইসলামিক সংগঠন ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ৷ তারা সিদ্ধান্ত নিল, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের পুনর্বিবেচনার আর্জি জানাবে সুপ্রিম কোর্টে৷

IUML আগেই জানিয়েছিল, সংসদে বিলটি পাস হলেই তারা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবে বিলের বিরুদ্ধে৷ বুধবার বিলটি পাস হয়ে গিয়েছে রাজ্যসভায়৷ সেই মতো তারা দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে৷ IUML-এর বক্তব্য, ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করছে সরকার৷  

বুধবারই রাজ্যসভায় পাস হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল৷ সোমবার বিলটি লোকসভায় পাস হয়ে গিয়েছে৷ এ বার পরীক্ষা ছিল রাজ্যসভায়৷ সেখানেও শেষ হাসি হাসলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ বুধবার দিনভর রাজ্যসভায় বিতর্ক-বিবাদের পরে শেষ পর্যন্ত নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস হয় সংসদে৷ ভোটাভুটিতে অংশ নেয়নি শিবসেনা৷ বিলের পক্ষে ভোট পড়ে ১২৫, বিপক্ষে ১০৫টি ভোট৷ ৮ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বিতর্কের পর পাস হয় বিলটি৷

বিলটি সংসদে পেশ হওয়া থেকেই উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি বিলের বিরোধিতায় সরব৷ বিল পাস হতেই অসম-সহ উত্তর-পূর্ব ভারতে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ৷ কেন্দ্রকে সেনা নামাতে হয়েছে৷ বিল পাসের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইটারে লেখেন,'দেশ ও দেশবাসীর ভাবাবেগ ও ভ্রাতৃত্ববোধের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন আজ। রাজ্যসভায় সিএবি-২০১৯ পাশ হওয়ায় আমি খুশি। বিলের পক্ষে যাঁরা ভোট দিয়েছেন তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যাঁরা বহু বছর ধরে ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার, তাঁদের স্বস্তি দেবে এই বিল৷'

বিলের সমর্থনে ভোট দেয় জনতা দল (ইউনাইটেড), শিরোমণি অকালি দল, এআইএডিএমকে, বিজু জনতা দল, তেলুগু দেশম পার্টি ও ওয়াইএসআর কংগ্রেস৷ ভোটাভুটিতে অংশ নেয়নি শিবসেনা৷

নাগরিকত্ব আইন ১৯৫৫-এর সংশোধনী বিলে বলা হয়েছে, সেই সব হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, যাঁরা ধর্মীয় নিপীড়নের জেরে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে ভারতে এসে আশ্রয় নেন৷ ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য ১২ মাস টানা ভারতে থাকতে হত৷ একই সঙ্গে গত ১৪ বছরের মধ্যে ১১ বছর ভারতবাস জরুরি ছিল। সংশোধনী বিলে দ্বিতীয় নিয়মে পরিবর্তন ঘটানো হচ্ছে। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্থান থেকে আনা নির্দিষ্ট ৬টি ধর্মাবলম্বীদের জন্য ১১ বছর সময়কালটিকে নামিয়ে আনা হচ্ছে ৬ বছরে। বেআইনি অভিবাসীরা ভারতের নাগরিক হতে পারে না। এই আইনের আওতায়, যদি পাসপোর্ট বা ভিসা ছাড়া কেউ দেশে প্রবেশ করে থাকেন, বৈধ নথি নিয়ে প্রবেশ করার পর নির্দিষ্ট সময়কালের বেশি এ দেশে বাস করে থাকেন, তা হলে তিনি বিদেশি অবৈধ অভিবাসী বলে গণ্য হবেন।

First published: 12:00:38 PM Dec 12, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर