• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • IS SEDITION LAW STILL NEEDED AFTER 75 YEARS OF INDEPENDENCE SUPREME COURT ISSUES NOTICE TO CENTRE AKD

Sedition Law: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর দেশদ্রোহ আইন আদৌ প্রয়োজনীয়? কেন্দ্রের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

দেশদ্রোহিতা আইন নিয়ে রীতিমতো কেন্দ্রকে চ্যালেঞ্জ সুপ্রিম কোর্টের।

Sedition Law -আদালতের প্রশ্ন, ঔপনিবেশিক এই আইন কেন বাতিল করা হচ্ছে না ?

  • Share this:

#নয়াদিল্লি:  দেশদ্রোহ আইনটি (Sedition Law) তৈরি হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে সেই ১৮৭০ সালে। পরাধীন ভারতে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জেলে ঢোকাতে এই আইনের অপপ্রয়োগ করত ব্রিটিশরা। কিন্তু তারপর থেকে আজও নিয়মিত  মানুষকে এই আইনেই কারাবন্দি করে চলেছে সরকার। এর আগে একাধিকবার এই আইনের প্রয়োগ এবং প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি এই বিষয়ক একটি মামলা দায়ের হয়েছে শীর্ষ আদালতে।এদিন এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিকের দায়ের করা মামলায় শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি এন ভি রমণের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এদিন এই আইন নিয়ে বিস্তর ক্ষোভ উগরে দিয়েছে। আদালতের প্রশ্ন, ঔপনিবেশিক এই আইন কেন বাতিল করা হচ্ছে না ? কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তারা জানতে চেয়েছে, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও এই আইনের প্রয়োজনীয়তা কী?

বিচারপতিরা এদিন ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন, "এই আইনটির প্রচুর অপব্যবহার হচ্ছে। ছুতোর মিস্ত্রিকে করাত দেওয়া হয়েছিল কাঠের টুকরো কাটার জন্য। তিনি সেই করাত দিয়ে জঙ্গলের সমস্ত গাছ কেটে ফেলেছিলেন। অর্থাৎ, কোন একজন বা বিশেষ ক্ষেত্রে যে আইনের প্রয়োগ হওয়ার কথা তা যথেচ্ছ ব্যবহার করা হচ্ছে। এটা কখনোই কাম্য নয়। দেশদ্রোহ আইনের অপব্যবহার হচ্ছে। যদি কোনো পুলিশ আধিকারিক কোনও ব‍্যক্তিকে ফাঁসিয়ে দিতে চান, তিনি নিজের মর্জিতে ভারতীয় দণ্ডবিধি-র ১২৪(এ) ধারা প্রয়োগ করেন।"

অ‍্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেনুগোপালকে প্রধান বিচারপতি সিভি রমন বলেন, "রাষ্ট্রদ্রোহ আইনটি ঔপনিবেশিক। মহাত্মা গান্ধীর মুখ বন্ধ করতে, পরাধীন ভারতে স্বাধীনতা আন্দোলনকে দমন করার জন্য এই আইনের প্রয়োগ করতো ব্রিটিশরা। কিন্তু, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও আমাদের দেশে এই আইন রাখার প্রয়োজন কী?" বিচারপতিরা আরও বলেন, "কেন্দ্রীয় সরকার যখন অনেক পুরোনো আইন বাতিল করে দিচ্ছে। তখন এই আইন বাতিল করা হচ্ছে না কেন?"

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে উপস্থিত অ‍্যাটর্নি জেনারেলকে প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, "এই আইনের অপব্যবহার নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা কোনও রাজ‍্য সরকার বা কেন্দ্রকে দোষ দিচ্ছি না। কিন্তু, দেখুন যেমন তথ‍্যপ্রযু্ক্তি আইনের ৬৬এ ধারা বাতিল হওয়া সত্ত্বেও এখনও সেই আইন কীভাবে ব‍্যবহার করা হচ্ছে! কত হতভাগা মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই আইনটি বাতিল করা যায় কিনা ভাবুক সরকার।"

Published by:Arka Deb
First published: