• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • INDIAN RAILWAYS FINED THREE LAKHS FOR NOT GIVING ELDERLY COUPLE LOWER BERTH SMJ

Indian Railways: বয়স্ক দম্পতিকে নাজেহাল করে তিন লাখ টাকা জরিমানা দিল রেল

বয়স্ক দম্পতিকে নাজেহাল হতে হল ভারতীয় রেলের জন্য। সেই বয়স্ক দম্পতিদের মধ্যে একজন আবার ছিলেন বিশেষভাবে সক্ষম।

বয়স্ক দম্পতিকে নাজেহাল হতে হল ভারতীয় রেলের জন্য। সেই বয়স্ক দম্পতিদের মধ্যে একজন আবার ছিলেন বিশেষভাবে সক্ষম।

  • Share this:

    #সোলাপুর: যাত্রী পরিষেবা উন্নত করার ব্যাপারে ভারতীয় রেল সবসময় ইতিবাচক কথা বলে। এমনকী রেলের গাইডলাইন-এও গ্রাহকদের অসাধারণ পরিষেবা দেওয়ার ব্যাপারে অঙ্গীকারের ছড়াছড়ি। কিন্তু বাস্তবে সবসময় সেই সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারে না রেল কর্তৃপক্ষ। আর এর জন্য বেশিরভাগ সময়ই দায়ী রেলের কর্মীরা। বয়স্ক যাত্রীদের সঙ্গে সবরকম সহযোগিতা করার দাবি করে ভারতীয় রেল। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে রেলের পরিষেবার জন্য ভয়ানক মুশকিলে পড়তে হয়। বয়স্ক যাত্রীদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা সেটাই যেন প্রমাণ করে দিয়ে গেল ফের।

    কর্ণাটকের বয়স্ক দম্পতিকে নাজেহাল হতে হল ভারতীয় রেলের জন্য। সেই বয়স্ক দম্পতিদের মধ্যে একজন আবার ছিলেন বিশেষভাবে সক্ষম। ফলে তাঁকে ভুগতে হয়েছিল সব থেকে বেশি। তবে সেই বয়স্ক দম্পতিকে বিপদের মুখে ফেলে ভারতীয় রেলকেও ভুগতে হল। প্রায় ১১ বছর আগে করা ভুলের জন্য তিন লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে ভারতীয় রেল কে।

    ২০১০ সালে সেই বয়স্ক দম্পতি কর্নাটকের সোলাপুর থেকে বিরুর যাওয়ার জন্য টিকিট কেটেছিলেন। থার্ড এসির টিকিট ছিল। তাঁরা টিকিট কেটেছিলেন বিশেষভাবে সক্ষমদের কোটায়। কিন্তু সেই দম্পতিকে লোয়ার বার্থ দেয়নি রেল। চলন্ত ট্রেনে টিকিট পরীক্ষকের কাছে বারবার লোয়ার বার্থ দেওয়ার জন্য আবেদন করতে থাকেন ওই দম্পতি। কিন্তু সেই টিকিট পরীক্ষক তাঁদের কোনও কথাই কানে তোলেননি। বয়স্ক দম্পতি জানিয়েছিলেন, ওই কোচে ছটি লোয়ার বার্থ সিট থাকা সত্ত্বেও টিকিট পরীক্ষক তাঁদের দেননি। বেশ কিছুটা সময় পার হয়ে যাওয়ায় একজন সহযাত্রী করুণাবশত তাঁদের মধ্যে একজনকে নিজের সিটে বসতে দেযন। এখানেই শেষ নয়। ওই টিকিট পরীক্ষক সেই দম্পতিকে গন্তব্য স্টেশনের অন্তত ১০০ কিলোমিটার আগে নামিয়ে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ ওঠে। যার জেরে শীতের রাতে দারুন বিপদের মুখে পড়েছিলেন সেই বয়স্ক দম্পতি।

    গোটা যাত্রাপথে ওই দম্পতির মধ্যে একজনকে সিটের নিচে বসেই যাত্রা করতে হয়েছিল সেদিন। কোচ অ্যাটেনডেন্স ও টিটিইকে বিরুর স্টেশন আসার আগে তাঁদের জানানোর জন্য আবেদন করেছিলেন ওই বয়স্ক দম্পতি। আসলে বিরুর স্টেশন আসার কথা ছিল ভোরের দিকে। ঘুমিয়ে পড়লে গন্তব্য স্টেশনের নামা হবে না, সেই ভয়ে টিকিট পরীক্ষককে অনুরোধ করেছিলেন ওই দম্পতি। কিন্তু এটেনডেন্ট গন্তব্য স্টেশনের ১০০ কিলোমিটার আগে চিকজাজুর স্টেশনে নামিয়ে দেন। সেদিন রাত থেকে বিরুর স্টেশনে মা-বাবার জন্য অপেক্ষা করছিলেন ওই দম্পতির ছেলে। তিনিই রেলের বিরুদ্ধে দায়িতবজ্ঞনহীনতার অভিযোগ তুলে মামলা করেছিলেন। ক্ষতিপূরণেরও দাবি করেন তিনি। সেই মামলায় আদালত রেল কর্তৃপক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে ওই দম্পতিকে তিন লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এমনকী মামলার খরচ বাবদ আড়াই হাজার টাকাও রেল তাঁদের দেবে।

    Published by:Suman Majumder
    First published: