শাবাস! এক আংটিতেই গাঁথা ৭,৮০১ হিরে, গিনেস বুকে নাম হায়দরাবাদের গয়না-ব্যবসায়ীর!

বলা হয়, এই বিরল পুষ্প তার কোরকদল বিকশিত করলে না কি সৌভাগ্যের উদয় হয় ভাগ্যের আকাশে!

বলা হয়, এই বিরল পুষ্প তার কোরকদল বিকশিত করলে না কি সৌভাগ্যের উদয় হয় ভাগ্যের আকাশে!

  • Share this:

#হায়দরাবাদ: বলা হয়, এই বিরল পুষ্প তার কোরকদল বিকশিত করলে না কি সৌভাগ্যের উদয় হয় ভাগ্যের আকাশে!

তা, হায়দরাবাদের চন্দুভাই ডায়মন্ড স্টোরের কোটি শ্রীকান্তের ক্ষেত্রে কিন্তু কথাটা একশোয় একশো ভাগই মিলে গেল। বছরখানেকের অক্লান্ত চেষ্টায় তাঁর উদ্যোগে তৈরি হয়েছে ঠিক পাপড়ি-মেলা পদ্মের মতো দেখতে এক আংটি, যেখানে একটা নয়, দু'টো নয়, বসানো হয়েছে পাক্কা ৭,৮০১ খানা হিরে! একটা আংটিতে এত হিরে সন্নিবিষ্ট করার রেকর্ড পৃথিবীতে আরও কারও নেই! গিনেস বইও তাই সব দিক দিক খতিয়ে দেখে নিজেদের তালিকায় নাম যোগ করতে বাধ্য হয়েছে শ্রীকান্তের!

খবর বলছে যে, শ্রীকান্ত ব্রহ্মকমলের অনুষঙ্গেই তাঁর এই অপূর্ব সৃষ্টির নামকরণ করেছেন। এই আংটির পোশাকি নাম দ্য ডিভাইন- ৭৮০১ ব্রহ্ম বজ্র কমলম! বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না যে নামের মধ্যেই স্পষ্ট করা রয়েছে হিরে সন্নিবেশের পরিসংখ্যান। অন্য দিকে, হিরে যে হেতু সুকঠিন, সেই অনুষঙ্গে শুধু ব্রহ্মকমল না বলে একে ব্রহ্ম বজ্র কমল হিসেবেই প্রতিভাত করতে চেয়েছেন ব্যবসায়ী।

শ্রীকান্ত জানিয়েছেন যে ২০১৮ সাল নাগাদ না কি তাঁর মাথায় এই গয়না তৈরির কথা আসে। এর পর শুরু হয় কাজ। প্রায় বছরখানেকের অধ্যবসায় আর পরিশ্রমের পর রূপায়িত হয়ে ওঠে দ্য ডিভাইন- ৭৮০১ ব্রহ্ম বজ্র কমলম। ছয়টি স্তরে এই হিরের পদ্মের কোরকদল বিন্যস্ত, প্রতি স্তরে রয়েছে আটটি করে পাপড়ি। খবর আরও বলছে যে গত বছরেই না কি গিনেস বুকের কাছে এই আংটি জমা করেন শ্রীকান্ত এবং তাঁর প্রতিষ্ঠান। এর পর শুরু হয় চুলচেরা বিচারের পালা। সবার প্রথমে যাচাই করা হয় হিরের গুণমান। দেখা যায় যে কৃত্রিম নয়, একেবারে আসল হিরেই ব্যবহার করা হয়েছে এই আংটি তৈরির জন্য। সে দিক থেকে গিনেস বুকের পরীক্ষায় উতরে যায় দ্য ডিভাইন- ৭৮০১ ব্রহ্ম বজ্র কমলম।

এর পরের ধাপের পরীক্ষা ছিল আরও সূক্ষ্ম। এই পর্বে এসে বিচার করে দেখা হয় হিরেগুলি আলাদা আলাদা ভাবে অবস্থান করছে, না কি লেগে গিয়েছে একটা আরেকটার গায়ে!

সার্থকতার সঙ্গে এই দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হয় শ্রীকান্তের হিরের আংটি। আর কী! মোস্ট ডায়মন্ডস সেট ইন ওয়ান রিং- এই তকমা গিনেস বুক তুলে দিতে বাধ্য হয়!

উল্লেখ না করলেই নয়, চলতি বছরের অক্টোবরের মাঝামাঝি দেশের উত্তরাখণ্ডে প্রথম বিকশিত হয়েছে ব্রহ্মকমল। তার কিছু পরেই এই হিরের ব্রহ্মকমলের নজির গড়া বিস্মিত করে বইকি!

Published by:Akash Misra
First published: