দলিত ইস্যুতে অশান্ত গুজরাত থেকে সংসদ

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: সংসদ উত্তাল হওয়ায় পর টনক নড়ল গুজরাত প্রশাসনের। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দলিত নিগ্রহের ঘটনায় পুলিশ সুপারকে তদন্ত রিপোর্টে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন আনন্দীবেন প্যাটেল। তার আগেই গুজরাতের উনায় গিয়ে নিগৃহীত দলিত পরিবারের সঙ্গে দেখাও করেন তিনি।

    সংসদে দলিত নিগ্রহ নিয়ে বিরোধীদের প্রবল চাপের মুখে কেন্দ্রও। এদিন প্রধানমন্ত্রীর হয়ে সংসদে দুঃখপ্রকাশও করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    নিষিদ্ধ মাংস খাওয়ার অভিযোগে ৪ দলিতকে নগ্ন করে ঘোরানোর মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে গুজরাতে।  অভিযোগ পাওয়ার ১০ দিন পরও হেলদোল দেখায়নি গুজরাত সরকার। দলিত নিগ্রহের ঘটনায় সংসদে ঝড় উঠতেই বদলে গেল সবকিছু।

    গুজরাত মুখ্যমন্ত্রী আনন্দীবেন প্যাটেল জানালেন,‘পুলিশ সুপারকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের দলিত সহ সব মানুষই সমান অধিকার পাওয়ার যোগ্য। এমন কোনও ঘটনা বরদাস্ত করবে না সরকার।’ এই তৎপরতা অবশ্য সহজে আসেনি। সংসদের দুই কক্ষে এনিয়ে প্রবল চাপে পড়তে হয় কেন্দ্রকে।

    বৃহস্পতিবার উনায় যেতে পারেন রাহুল গান্ধি। চলতি সপ্তাহে  অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও বিএসপির প্রতিনিধিদলও উনায় যাবে বলে জানা গিয়েছে। নিগৃহীত দলিত পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ যাদবও।

    vlcsnap-2016-07-20-19h43m38s263

    সংসদে বিরোধীদের আক্রমণের মুখে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে বলেন,  ‘এরকম ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য। দলিত মানুষের উপর এই নৃশংসতা কখনই মেনে নেব না। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের উচিত এই ইস্যুতে একসঙ্গে লড়াই করা।  দলিতের উপর আক্রমণ একটি সামাজিক অপরাধ। এই ধরনের ঘটনা আর যাতে না ঘটে সেটাই চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখতে হবে আমাদের ৷

    রাজনাথের মাধ্যমেই দলিত সহমর্মিতায় বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী । তাতে যে চিঁড়ে ভিজবে না, তা অবশ্য সংসদেই স্পষ্ট করে দিয়েছে প্রায় সবকটি বিরোধী দলই।

    গত ১১ জুলাই গরুর চামড়া পাচারকারী সন্দেহে গুজরাতের উনায় চার দলিত যুবককে প্রকাশ্যে প্রচন্ড নির্যাতন ও হেনস্থা করা হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  জানিয়েছেন, এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যেই নয় জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ৷ চারজন পুলিশকর্মীকে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

    First published: