এই কারণে নির্ভয়াকাণ্ডে ৪ দোষীকে ফাঁসি দিতে বেঁকে বসেছেন তিহাড় জেলের কর্মীরা, জল্লাদ পাঠাতে আর্জি গেল উত্তরপ্রদেশে

এই কারণে নির্ভয়াকাণ্ডে ৪ দোষীকে ফাঁসি দিতে বেঁকে বসেছেন তিহাড় জেলের কর্মীরা, জল্লাদ পাঠাতে আর্জি গেল উত্তরপ্রদেশে
ফাঁসির দড়ি

নির্ভয়াকাণ্ডে চার দোষীকে ফাঁসি দিতে নারাজ তিহাড় জেলের কর্মীরা।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বিহারের বক্সার জেলের বন্দিদের হাতে তৈরি ফাঁসির দড়ি পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু, নির্ভয়াকাণ্ডে চার দোষীকে ফাঁসি দিতে নারাজ তিহাড় জেলের কর্মীরা। মেরঠের ফাঁসুড়ে পবন জল্লাদকে আর্জি জানানো হয়েছে। যোগাযোগ করা হয়েছে লখনউয়ের আরেক ফাঁসুড়ের সঙ্গে। ২০১২ সালে আজমল কসাব,২০১৩ সালে আফজল গুরু, ২০১৫ সালে ইয়াকুব মেনন, প্রত্যেকেরই ফাঁসি দেন জেল কর্মীরা। কিন্তু, নির্ভয়ার চার দোষীকে ফাঁসি দিতে বেঁকে বসেছেন তিহাড় জেলের কর্মীরা। ফাঁসুড়ে হতে একাধিক যোগ্যতা লাগে। যেমন উচ্চতা হতে হবে ন্যূনতম ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি ৷ ওজন ৭০ থেকে ৮০ কেজি ৷ আবার জেল কোড অনুযায়ী, ফাঁসি দিতে হবে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এবং নিখুঁত ভাবে। যাতে মৃত্যুর সময় অপরাধীর ন্যূনতম কষ্ট হয়।  তেমনটা না হলে ফাঁসুড়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও হতে পারে ৷  এতেই বেঁকে বসেছেন তিহাড় জেলের কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে উত্তরপ্রদেশের মেরঠের ফাঁসুড়ে পবন জল্লাদ এবং লখনউয়ের এক ফাঁসুড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে পবন জল্লাদের ঠাকুরদা মুম্মু সিংও ফাঁসুড়ে ছিলেন ৷ ১৯৮৭ সালে ইন্দিরা গান্ধির ২ হত্যাকারীকে তিনি ফাঁসি দেন ৷ সেই সময় তাঁর সহযোগী ছিলেন পবন ৷

তিহাড় জেলের ফাঁসিকোঠায় চলছে প্রস্তুতি। এখানকার ফাঁসিকোঠায় একসঙ্গে ৪ জনকে ফাঁসিতে ঝোলানোর ব্যবস্থা রয়েছে ৷ সাম্প্রতিক অতীতে একসঙ্গে চারজনকে ফাঁসিতে ঝোলানোর নজির নেই ৷ তিহাড়ে ফাঁসির দড়িও চলে এসেছে। বিহারের বক্সার থেকে আনা হয়েছে সেই দড়ি  ৷ বানিয়েছেন বক্সারের জেলবন্দিরা ৷ ২০১২ সালে দিল্লিতে চলন্ত বাসে গণধর্ষণকাণ্ডে অপরাধীদের মধ্যে রাম সিংহ জেলে আত্মহত্যা করে। এক নাবালক অপরাধী জুভেনাইল হোমে থাকার পরে এখন মুক্ত। ফাঁসি হবে চার জনের - অক্ষয় ঠাকুর, বিনয় শর্মা, পবন গুপ্ত এবং মুকেশ সিং। এর মধ্যে বিনয় রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানায়। সেই আবেদন খারিজের জন্য সুপারিশ করেন দিল্লির গভর্নর অনিল বৈজল। তারপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও রাষ্ট্রপতির কাছে একই সুপারিশ করে ।

First published: December 13, 2019, 12:25 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर