দেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

এ বার 'রেল রোকো'! তীব্র আন্দোলনের পথে পঞ্জাবের কৃষকরা

এ বার 'রেল রোকো'! তীব্র আন্দোলনের পথে পঞ্জাবের কৃষকরা

অন্যদিকে আরও একটি কৃষক সংগঠন ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বন্‍‌ধের ডাক দিয়েছে৷ হরিয়ানার কৃষকরাও এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন৷

  • Share this:

#চণ্ডীগড়: কৃষক বিলের প্রতিবাদে আজ অর্থাত্‍ বৃহস্পতিবার থেকে তিনদিনের 'রেল রোকো' কর্মসূচি শুরু করলেন পঞ্জাবের কৃষকরা৷ ইতিমধ্যেই কৃষি বিল পাশ হয়ে গিয়েছে সংসদে৷ এখন শুধু বাকি রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর৷ ইতিমধ্যেই কংগ্রেস সহ বিরোধী দল ও এনডিএ-র সঙ্গী অকালি দল রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন জানিয়েছে, ওই বিলে স্বাক্ষর যেন না করেন৷

গত সপ্তাহেই কৃষি মজদুর সংঘর্ষ কমিটির জেনারেল সেক্রেটারি শরওয়ান সিং পান্ধের জানিয়েছিলেন, ২৪ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর রেল রোকো কর্মসূচি করা হবে৷ সব কৃষক ওই প্রতিবাদে যোগ দেবেন৷ কৃষকরা এই বিল মানবে না৷

অন্যদিকে আরও একটি কৃষক সংগঠন ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বন্‍‌ধের ডাক দিয়েছে৷ হরিয়ানার কৃষকরাও এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন৷

ইতিমধ্যেই গত রবিবার রাজ্যসভার বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে ৮ জন সাংসদকে৷ কৃষি বিল নিয়ে হাঙ্গামার জেরেই সাসপেন্ড হন ৮ সাংসদ ৷ ডেপুটি চেয়ারম্যানকে শারীরিক নিগ্রহ করা হয় ৷ এমন ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও নিন্দনীয় বলে জানান উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নায়ডুর ৷

প্রতিবাদে সরব চাষিরা জানাচ্ছেন, এই তিন বিলের ফলে দেশের কৃষিব্যবস্থা কর্পোরেটদের কুক্ষীগত হয়ে যাবে৷ আর্থিক ভাবে বিপর্যয়ের মুখে পড়বে চাষিরা৷

অল ইন্ডিয়া কিষাণ সংঘর্ষ কো-অর্ডিনেশন কমিটির জাতীয় আহ্বায়ক ভিএম সিংয়ের কথায়, 'আমরা দেশজুড়ে সব কৃষককে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ডাক দিয়েছি৷ সরকার দাবি করছে, এই বিলের জন্য কৃষকরা খুশি, কিন্তু আসলে আমরা ভয়ে রয়েছি, এখন যা-ও বা একটু নূন্যতম সহায়ক মূল্য পাই, এবার তাও জুটবে না৷ কৃষি ব্যবস্থাটাই কর্পোরেটদের হাতে চলে যাবে৷'

বিলের স্বপক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য, এই বিলগুলি ঐতিহাসিক৷ দেশের কৃষি ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য অত্যন্ত জরুরি এই বিলগুলি৷ বিরোধীদের একহাত নিয়ে মোদি বলেন, নিয়ন্ত্রণ হাতের বাইরে চলে যাবে বলে কিছু মানুষ ভয় পাচ্ছে৷ তাই কৃষকদের বিভ্রান্ত করে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করছে৷

মোদির কথায়, 'কৃষি ক্ষেত্রে এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনে কিছু মানুষ ভয় পাচ্ছেন, ক্ষমতা হাতের বাইরে চলে যাবে৷ তাই ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ইস্যুতে চাষিদের ভুল পথে চালিত করছে৷'

কৃষি মণ্ডি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'গত ৫-৬ বছরে, সরকার ক্রমাগত চেষ্টা করেছে কৃষি মণ্ডিকে আরও উন্নত ও অত্যাধুনিক করার৷ তার জন্য কম্পিউটারাইজেশন করা হয়েছে মণ্ডিগুলির৷ যারা বলছে, কৃষি ক্ষেত্রে নয়া সংস্কারে কৃষি মণ্ডিগুলি বিপদের মুখে পড়বে, তারা কৃষকদের মিথ্যে কথা বলছে৷ কৃষকদের হাত বাঁধা৷ তাই কৃষকদের দুর্বলতার সুযোগ নেয় কিছু স্বার্থন্বেষী মানুষ৷ তাই এই বিল আনা জরুরি ছিল৷'

Published by: Arindam Gupta
First published: September 24, 2020, 8:37 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर