• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • রুল বুক হাতে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ ডেরেকের, কৃষি বিল নিয়ে উত্তাল রাজ্যসভা

রুল বুক হাতে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ ডেরেকের, কৃষি বিল নিয়ে উত্তাল রাজ্যসভা

রাজ্যসভায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন ডেরেক ও ব্রায়েন৷ Photo- RajyaSabha TV

রাজ্যসভায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন ডেরেক ও ব্রায়েন৷ Photo- RajyaSabha TV

তৃণমূল সাংসদ আরও অভিযোগ করেন, রাজ্যসভায় কী ঘটছে তা চেপে রাখার জন্য রাজ্যসভা টিভি-তে বিরোধীদের বিক্ষোভ সম্প্রচারিত হয়নি৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: দু'টি কৃষি বিল পাশ হওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠল রাজ্যসভা৷ ওয়েলে নেমে রুল বুক ছেঁড়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েনের বিরুদ্ধে৷ এমন কি, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণের মাইক্রোফোনও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি৷ যদিও রুল বুক ছেঁড়ার চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডেরেক৷ তৃণমূল সাংসদের অভিযোগ, 'সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার হত্যা করার চেষ্টা করা হচ্ছে৷'

    এই ঘটনার পরই আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যসভা৷ ক্ষুব্ধ ডেরেক ও ব্রায়েন বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন ২০২২ সালের মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হবে৷ কিন্তু বর্তমান হারে ২০২৮ সালের আগে তা সম্ভব নয়৷ আমরা শুধু ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের বিষয়ে আপত্তি করছি না৷ নতুন বিলগুলিতে গণবণ্টন ব্যবস্থা, ফসল কেনার প্রক্রিয়া, রাজ্যের অধিকারের মতো বিষয়গুলি নিয়েও আমাদের আপত্তি রয়েছে৷'

    পরে ট্যুইটারে নিজের বক্তব্যের দু'টি ভিডিও পোস্ট করেন ডেরেক ও ব্রায়েন৷ সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধীরা কৃষি বিল নিয়ে ভোটাভুটি চাইলেও সেই দাবি মানেনি সরকার৷ ডেরেকের অভিযোগ, সরকার জানত ভোটাভুটি হলে এই বিল পাশ হত না৷ কারণ রাজ্যসভায় তেরো থেকে চোদ্দটি বিরোধী দল এই বিলগুলির বিরুদ্ধে ছিল৷'

    তৃণমূল সাংসদ আরও অভিযোগ করেন, রাজ্যসভায় কী ঘটছে তা চেপে রাখার জন্য রাজ্যসভা টিভি-তে বিরোধীদের বিক্ষোভ সম্প্রচারিত হয়নি৷ ডেরেকের অভিযোগ, সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এটি অত্যন্ত দুঃখের একটি দিন৷

    এ দিন সংসদেও কৃষি বিলের বিরোধিতা করতে গিয়ে ডেরেক বলেন, 'আমি এমন একটি দলের প্রতিনিধি যার নাম তৃণমূল কংগ্রেস৷ একটু পিছিয়ে আমরা ২০০৬ সালে চলে যাই৷ এই দলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষকদের স্বার্থে ২৬ দিন অনশন করে নিজের জীবন বিপন্ন করেছিলেন৷ তিনি কৃষকদের অধিকারের জন্য লড়াই করছিলেন৷'

    প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে ডেরেক বলেন, 'গতকাল প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বিরোধীরা নাকি কৃষকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে৷ আমি প্রশ্ন করতে চাই, এই অভিযোগ তোলার মতো কী বিশ্বাসযোগ্যতা রয়েছে আপনার? আপনি ২০২২ সালের মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন৷ কিন্তু বর্তমান হারে ২০২৮ সালের আগে তা সম্ভব নয়৷'

    তৃণমূল সাংসদ আরও বলেন, 'বাংলায় ২০১১ সালে কৃষকদের গড় আয় ছিল ৯০ হাজার৷ বর্তমানে তা তিন গুণ বেড়ে ২ লক্ষ ৯০ হাজার হয়েছে৷ সরকার শুধুমাত্র ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক করছে, কিন্তু আমরা রাজ্যের অধিকার, গণবণ্টন ব্যবস্থা, ক্রয় পদ্ধতি নিয়েও আপত্তি জানাচ্ছি৷'

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: