পর্ন ছবি দেখে ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত ৭ বছরের বোন’কে যৌন নির্যাতন করল ১৩ বছরের দাদা!

প্রতীকী চিত্র ।

পুলিশ এসে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই নাবালিকা নির্যাতিতা বারবার বলতে থাকে ‘ভাই নে মারা’ । এতেই ওই নাবালকের উপর সন্দেহ পড়ে পুলিশের ।

  • Share this:

    #লুধিয়ানা: আর কবে এই অন্ধকার অধ্যায় শেষ হবে? কতটা পথ পেরলে সত্যিই চিন্তায়, মননে, স্বভাবে আধুনিক হব আমরা? আজও সংবাদ মাধ্যমের পাতায় প্রতিদিনই একাধিক ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, বধূ নির্যাতন, পণ নেওয়ার মতো ঘটনা চোখে পড়ে । হাজার প্রতিবাদ, আইন, শাস্তি সত্ত্বেও দমানো যায় না সমাজের মধ্যে থাকা মানুষরূপী কিছু কীটপতঙ্গদের ।

    এ বার এ রকমই ভয়ানক এক ঘটনার সাক্ষী থাকল লুধিয়ানা । মানসিকভাবে অসুস্থ (ড্রাউন সিন্ড্রোমে) ৭ বছরের কিশোরী নির্যাতিত হল নিজের দাদার কাছেই! শুধু তাই নয়, গোটা ঘটনা জেনেও মিথ্যা কথা বলে ছেলে’কে বাঁচানোর চেষ্টা করল খোদ মা!

    পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ছেলেমেয়ে দু’টির মা গোটা ঘটনাটি সম্পর্কেই অবগত ছিলেন । কিন্তু চিকিৎসক এবং পুলিশের কাছে বারবার মিথ্যে কথা বলেন ওই মহিলা । শুধু তাই নয়, ১৩ বছরের অভিযুক্ত ওই নাবালক দাদা’কে পুলিশ গ্রেফতার করতে গেলে তার মায়ের নেতৃত্বে স্থানীয়রা তিন ঘণ্টা জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন । শেষ পর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আসে ।

    জানা গিয়েছে, ৭ বছরের ওই নাবালিকা ও তার ১৩ বছরের দাদা স্থানীয় একটি স্কুলে পড়ে । অভিযুক্ত নাবালক পড়ে অষ্টম শ্রেণীতে এবং তার বোন পড়ে এলকেজি-তে । গত বুধবার দুই ছেলে-মেয়ে’কে স্কুল থেকে এনে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছিলেন মা । তাদের পোশাক পরিবর্তন করিয়ে, স্কুলের হোমওয়ার্ক করতে দিয়ে বাড়ির কিছু কাজ সারতে গিয়েছিলেন । ফিরে এসে ওই মহিলা দেখেন, তার শিশুকন্যা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে । তার গোপনাঙ্গ দিয়ে রক্ত পড়ছে ।

    সঙ্গে সঙ্গে ছেলেকে এ বিষয়ে জেরা করতে শুরু করেন মা । মায়ের কাছে ছেলে স্বীকার করে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও দেখে বোন’কে যৌন নির্যাতন করেছে সে । গোটা ঘটনা শুনে প্রাথমিক ভাবে ছেলে’কে প্রচণ্ড মারধর করেন ওই মহিলা । কিন্তু তারপর থেকেই ছেলে’কে বাঁচানোর জন্য সব জায়গায় মিথ্যে বলা শুরু করেন । পুলিশের কাছে ওই মহিলা বলেন, স্কুলের কোনও আধিকারিক তাঁর মেয়ের ওই হাল করেছে । কারণ স্কুল থেকে ফেরার পরেই এই ঘটনা তিনি লক্ষ্য করেন ।

    এরপর পুলিশ এসে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই নাবালিকা নির্যাতিতা বারবার বলতে থাকে ‘ভাই নে মারা’ । এতেই ওই নাবালকের উপর সন্দেহ পড়ে পুলিশের । পুলিশের জেরার মুখে অভিযুক্ত কিশোর-ও তাঁর অপরাধ স্বীকার করে নেয় । কিন্তু এরপরেই ওই কিশোরের মা পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদ করে স্থানীয়দের নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন । ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়ক প্রায় তিন ঘণ্টার জন্য অবরোধ করা হয় । পড়ে অবশ্য পুলিশ গিয়ে সেই অবরোধ উঠিযে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে ।

    Published by:Simli Raha
    First published: